Bengaluru

‘জ়ম্বি ড্রাগ’ নয়, বাতের ওষুধের সঙ্গে মদ খেয়ে বেঙ্গালুরুর রাস্তায় নিশ্চল যুবক! ভুয়ো ভিডিয়ো ছড়ানোয় গ্রেফতার এক

বিতর্কের সূত্রপাত সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে। ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল, ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় নিশ্চল দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক যুবক। তাঁর চোখ বন্ধ। ক্রমাগত দুলে যাচ্ছেন। কিন্তু এক পা এগোচ্ছেন না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৪৬
Fact Check: motionless Bengaluru Man have not consumed Zombie Drug, Police says, he had alcohol and Arthritis medication

বেঙ্গালুরুর সেই যুবক। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

বাতের ওষুধের সঙ্গে মদ খাওয়ার কারণেই প্রতিক্রিয়াস্বরূপ রাস্তার ধারে নিশ্চল দাঁড়িয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর যুবক। কোনও রকম মাদক সেবন করেননি তিনি। ‘জ়ম্বি ড্রাগ’ সেবনের দাবি তুলে প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে হইচই ফেলার পরে তদন্ত করে এমনটাই জানাল পুলিশ। ভুয়ো দাবি তুলে ভিডিয়ো ছড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরুর বিদ্যারণ্যপুরার বাসিন্দা এক যুবককে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত যুবকের নাম হেমন্ত। ‘জ়ম্বি ড্রাগ’ সংক্রান্ত মিথ্যা দাবি তুলে ভিডিয়ো ছড়ানোর জন্য ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে বাগলুর থানার পুলিশ। পুলিশ এ-ও স্পষ্ট করেছে যে, হেমন্তের পোস্ট করা ছবিতে যে যুবককে দেখা গিয়েছে, তিনি বাতের ওষুধের খাওয়ার পাশাপাশি মদ পান করেছিলেন। আর সে কারণেই ও রকম অবস্থা হয়েছিল তাঁর।

বিতর্কের সূত্রপাত সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে। ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল, ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় নিশ্চল দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক যুবক। তাঁর চোখ বন্ধ। ক্রমাগত দুলে যাচ্ছেন। কিন্তু এক পা এগোচ্ছেন না। কোনও প্রতিক্রিয়াও নেই তাঁর মুখে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। উদ্বেগও ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিয়োটিকে কেন্দ্র করে। দাবি, বেঙ্গালুরুর বাগালুর এলাকায় একটি কলেজের কাছে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে ঘটনাটি। ভিডিয়োয় এ-ও দাবি করা হয়েছিল, বিশেষ ‘জ়ম্বি’ মাদক খেয়ে ও রকম অবস্থা হয়েছে ওই যুবকের। কিন্তু পুলিশ জানাল সেই দাবি ভুয়ো। মাদক সেবন করেননি তিনি। মদ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া বাতের ওষুধের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ রাস্তায় ওই ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন যুবক। অস্বাভাবিক আচরণও করেন।

গুজব ছড়ানোর নিন্দা করে বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার বলেছেন, “যুবকের ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছিল। তথ্য যাচাই না করে অকারণে ইনস্টাগ্রামে এটি পোস্ট করা এবং মাদকের নাম দেওয়া ও বেঙ্গালুরুর পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি তোলা— সম্পূর্ণ বেআইনি।” যাচাই না করে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করা নিয়েও জনসাধারণকে সাবধান করেছেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন