ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
সদ্য প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। আদিত্য ধরের পরিচালনায় এই ছবি নিয়ে বক্সঅফিসে ঝড় ওঠার পাশাপাশি দর্শকমহলেও ঝড় উঠেছে। যে ছবি নিয়ে প্রশংসার ছড়াছড়ি, সেই ছবি নিয়েই অভিযোগ তুললেন ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর এক নেপথ্য অভিনেতা। শুটিংয়ের সময় তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে বলে তরুণের দাবি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘সুশান্তচরক’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক তরুণ ফোনের সামনের ক্যামেরা চালু করে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর সেটে হওয়া এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। তরুণের দাবি, অভিনয় নিয়ে কেরিয়ার গড়ার জন্য ২০২৫ সালে তিনি মুম্বইয়ে গিয়েছিলেন। মুম্বই পৌঁছোনোর এক সপ্তাহের মাথায় তিনি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ডাক পান। ক্ষণিকের জন্য ভিড়ের দৃশ্যে অভিনয় করতে হত তাঁকে।
তরুণ জানান, রণবীর সিংহ এবং অর্জুন রামপালের মতো তারকাদের এত কাছাকাছি দেখতে পেয়ে তিনি খুব আনন্দ পেয়েছিলেন। ভিডিয়োয় তরুণ বলেন, ‘‘আমি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে ভিড়ের একটি দৃশ্যে অভিনয় করছিলাম। এতই অল্প সময়ের জন্য ছিলাম যে, অনেকে লক্ষই করেননি। সেটে থাকাকালীন হঠাৎ খুব গরম লাগতে শুরু করে। আমার সঙ্গে অন্য নেপথ্য অভিনেতারাও বসেছিলেন। সেটে মোট ৫টি শীতাতপ যন্ত্র লাগানো ছিল। একটি আদিত্য ধরের সামনে, একটি সহকারী পরিচালকদের সামনে এবং তৃতীয় শীতাতপ যন্ত্রটি মুখ্য অভিনেতাদের সামনে লাগানো ছিল। আমাদের দিকে খুব গরম ছিল। কোনও শীতাতপ যন্ত্র ছিল না।’’
তরুণের অভিযোগ, নেপথ্য অভিনেতারা যে দিকে বসে রয়েছেন, সে দিকে শীতাতপ যন্ত্রের হাওয়ার অভিমুখ ঘুরিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। তা দেখে এক স্পটবয় তরুণকে বকাবকি করতে শুরু করেন। স্পটবয় সেই তরুণকে কড়া ভাবে বলেন, ‘‘শীতাতপ যন্ত্রগুলি তোমাদের মতো ছোটখাটো অভিনেতাদের জন্য নয়। ওগুলো বড় তারকাদের জন্য লাগানো হয়েছে। যে দিন বড় অভিনেতা হয়ে যাবে, সে দিন ঠান্ডা হাওয়া খাবে।’’
তরুণ নেপথ্য অভিনেতা তখন রেগে গিয়ে পাল্টা জবাবে বলেন, ‘‘একদিন আমি এত বড় অভিনেতা হব, যে দিন আপনি নিজেই আমায় হাওয়া দেবেন।’’ ভিডিয়োয় অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তরুণ বলেন, ‘‘তখন আমি রাগের মাথায় উত্তর দিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু আমাদের মতো যাঁরা কেরিয়ার শুরু করছেন, তাঁদের প্রথম দিকে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়। এখনও অনেক লম্বা যাত্রা বাকি রয়েছে আমাদের। আমার মনে হয়, ‘ধুরন্ধর’ ছবি থেকে তিনটি কথা আমাদের জীবনে মেনে চলা প্রয়োজন— ‘হোসলা, ইন্ধন, বদলা’।’’ সকল অভিনেতাদের কর্মজীবনের জন্য শুভেচ্ছাও জানান তরুণ।