ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।
চলন্ত অ্যাম্বুল্যান্সে দুই তরুণের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তরুণী! ধাওয়া করে ধরলেন একদল যুবক। তেমনটাই দাবি করে একটি ভিডিয়ো সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। যদিও সেই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছতরপুরে একটি চলন্ত অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতরে এক তরুণী এবং দুই তরুণ আপত্তিকর অবস্থায় ছিলেন বলে অভিযোগ। দাবি, এক বাইক-আরোহী অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতরে সন্দেহজনক নড়াচড়া দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে ওই তিন জনকে দেখতে পান। তার পরেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। বাইক নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সকে থামানোর চেষ্টা করেন বাইক-আরোহী যুবক। কিন্তু গতির সঙ্গে পেরে ওঠেন না। এর পর যুবক অন্য এক গাড়িচালকের কাছে সাহায্য চাইলে তিনি গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সটি দাঁড় করান। অ্যাম্বুল্যান্সটিকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয় বলে খবর।
ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, বাইক-আরোহী যুবক পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি গাড়ির চালককে পুরো বিষয়টি জানিয়ে সাহায্য চান। গাড়িটি গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সটিকে থামায়। ভিড় জমে যায় ঘটনাস্থলে। গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন অ্যাম্বুল্যান্সের চালক। গাড়ি থেকে আরও এক তরুণ এবং তরুণী বেরিয়ে আসেন। অ্যাম্বুল্যান্সের চালককে তরুণীর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ও আমাদের বোন।” কিন্তু থামতে বলা সত্ত্বেও কেন দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন তিনি? সেই প্রশ্নে চালক এবং তাঁর সঙ্গী স্পষ্ট ভাবে কোনও উত্তর দিতে পারেননি। স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাননি তরুণীও। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ওই ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ঘর কা কলেশ’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত একটি গাড়িতে কী ভাবে এমন কাণ্ড ঘটতে পারে? সেই প্রশ্ন তুলেও সরব হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। কেউ কেউ ক্ষোভপ্রকাশও করেছেন। ভিডিয়োটি দেখার পর এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘অ্যাম্বুল্যান্স না চলন্ত ওয়ো?’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার জন্য যথাযথ নিয়মকানুন এবং নজরদারি ব্যবস্থা ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা উচিত কর্মকর্তাদের।’’