Bizarre Relationship

উপার্জনের জন্য প্রেমিককে অন্য পুরুষের শয্যাসঙ্গী হতে বাধ্য করেন প্রেমিকা! আয়ও করেন অনেক, দম্পতির কাণ্ডে হইচই

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনে চেশায়ারের বাসিন্দা টেরি এবং রায়ান অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দুষ্টু ভিডিয়ো তৈরি করেন। সে থেকে যথেষ্ট আয়ও করেন তাঁরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫৪
Woman from Britain making money by forcing boyfriend to be with other Men

ব্রিটেনের দম্পতি টেরি এবং রায়ান। ছবি: সংগৃহীত।

প্রেমিক সমকামী নন। মহিলাদের প্রতিই আকর্ষণ রয়েছে তাঁর। তবুও টাকা উপার্জনের জন্য সেই প্রেমিককে অন্য পুরুষদের শয্যাসঙ্গী হতে বাধ্য করেন এক তরুণী! ঘটনাটি ব্রিটেনের। দম্পতির নাম টেরি এবং রায়ান। তাঁদের কাহিনি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে সমাজমাধ্যমে। অর্থের জন্য মানুষ কতটা মরিয়া উঠতে পারে তারও একটি আকর্ষণীয় উদাহরণ হিসাবে উঠে এসেছে ঘটনাটি। যদিও টেরি এবং রায়ানের দাবি, পুরো বিষয়টিই সম্পূর্ণ রূপে পেশাদারি এবং তাঁদের সম্পর্কে এর প্রভাব পড়বে না।

Advertisement

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনের চেশায়ারের বাসিন্দা টেরি এবং রায়ান অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দুষ্টু ভিডিয়ো তৈরি করেন। সে থেকে যথেষ্ট আয়ও করেন তাঁরা। যদিও সেই সব ভিডিয়োয় রায়ানকে অন্য পুরুষদের শয্যাসঙ্গী হিসাবে দেখা যায়। টেরি ওই সব ভিডিয়োর চিত্রগ্রহণ এবং শুটিংয়ের কাজ করেন।

সম্প্রতি একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন টেরি এবং রায়ান। সেখানে তাঁরা দাবি করেছেন, দুই পুরুষের দুষ্টু ভিডিয়োর অনেক চাহিদা। আর তাই অর্থ উপার্জনের জন্যই তাঁরা ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ ছাড়া আর কোনও অভিসন্ধি নেই। বিষয়টি পেশাদার হওয়ায় তাঁদের সম্পর্কেও এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই দম্পতি জানিয়েছেন।

টেরি জানিয়েছেন, ২০২১ সাল নাগাদ রায়ানকে একটি মামলায় জেল যেতে হয়। সেই সময় তিনি দুষ্টু ভিডিয়ো তৈরি শুরু করেন। রায়ানের মুক্তির পর তাঁরা ঠিক করেন একসঙ্গে কাজ করবেন। রায়ানের দাবি, পুরুষদের শয্যাসঙ্গী হওয়া তাঁর যৌন পরিচয়কে সংজ্ঞায়িত করে না। পুরো বিষয়টিকে কাজ হিসাবেই দেখেন তিনি। দম্পতি দাবি করেছেন, দুষ্টু ভিডিয়ো তৈরি করে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭.২৫ লক্ষ টাকা আয় করেন তাঁরা।

Advertisement
আরও পড়ুন