Sandip Ghosh Chargesheet

আরজি করে ৬ কোটি টাকার দুর্নীতির হদিস! সন্দীপেরও ৫২ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, বিবৃতি দিল ইডি

বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, ঠিকাদারদের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বদলে অবৈধ ভাবে সুবিধা নিয়েছেন সন্দীপ। এর থেকে তিনি আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৫
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ।

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। —ফাইল চিত্র।

আরজি কর হাসপাতালে ৬ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকার দুর্নীতির হদিস পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ওই দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষের ৫২ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন ইডির আধিকারিকেরা। আরজি করে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement

আরজি করের দুর্নীতির মামলায় শুক্রবারই কলকাতায় বিচার ভবনে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। সূত্রের খবর, ওই চার্জশিটে নাম রয়েছে আরজি কর হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপের। পাশাপাশি দুই ব্যবসায়ী বিপ্লব সিংহ এবং সুমন হাজরারও নাম রয়েছে তাতে। উভয়েই হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বস্তুত, আরজি কর দুর্নীতির মামলায় এটিই ইডির প্রথম চার্জশিট। এর আগে সিবিআই এই মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছিল।

প্রথম চার্জশিট জমা দেওয়ার পরে শুক্রবারই ইডি একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। ওই বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বলে, “আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা পরিকল্পিত ভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এবং, তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে চেক লেখা হয়েছে। তা দিয়ে টাকা তোলা হয়েছে অথবা অন্য সহযোগী সংস্থায় সেই টাকা সরানো হয়েছে। পরে সেই নগদ তুলে নেওয়া হয়েছে।” বিবৃতিতে ইডির দাবি, অপরাধের টাকাকে আড়াল করার জন্যই এই ভাবে তা সরানো হয়েছে।

বিবৃতিতে ইডি আরও জানিয়েছে, ঠিকাদারদের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বদলে অবৈধ ভাবে সুবিধা নিয়েছেন সন্দীপ। এর থেকে তিনি আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। ইডি ওই বিবৃতিতে বলেছে, এই ভাবে সন্দীপ ঠিকাদারদের প্রায় ৬ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকার বরাত পাইয়ে দিয়েছেন। দুর্নীতির মামলার তদন্তে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন ইডির আধিকারিকেরা। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সন্দীপের ৫২ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় ধরনের সম্পত্তিই রয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন