এসআইআর-এর শুনানির জন্য লাইন ভোটারদের। —ফাইল চিত্র।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট) একটি গ্রহণযোগ্য নথি। তবে কোন শংসাপত্রগুলি বৈধ হিসাবে গ্রাহ্য হবে, তা স্পষ্ট করে দিল নির্বাচন কমিশন। জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টর যে সকল শংসাপত্র দিয়েছেন, সেগুলিকেই বৈধ বলে ধরা হবে। শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতরে চিঠি পাঠিয়ে তা জানিয়ে দিল কমিশন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের কাছ থেকে স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র পাওয়া যেতে পারে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এই শংসাপত্রগুলি এসআইআর-এর কাজে বৈধ নথি হিসাবে গ্রাহ্য হবে, তা এ বার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিল কমিশন। একই সঙ্গে এ-ও জানানো হয়েছে, শংসাপত্রগুলি অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৯৯৯ সালের নিয়ম মেনে তৈরি হতে হবে। সিইও দফতরে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ কঠোর ভাবে পালন করতে হবে। এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সকল অফিসারকে তা জানিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
কী কারণে কমিশন থেকে চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশিকা জানানো হল সিইও দফতরকে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বস্তুত, কমিশন উল্লেখিত আধিকারিকেরা ছাড়াও অনেকে এই শংসাপত্র জারি করতে পারেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর দফতর থেকেও এই শংসাপত্র দেওয়া যেতে পারে। অনুমান করা হচ্ছে, এসআইআর-এর কাজে কোন কোন শংসাপত্রকে বৈধ বলে ধরা হবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতেই সিইও দফতরে এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কমিশন।
পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুসারে, রাজ্যে এসআইআর-এর শুনানির শেষ দিন ছিল শনিবারই। তবে শুক্রবার পর্যন্তও খবর ছিল, সব জায়গায় শুনানি শেষ হয়নি। সে ক্ষেত্রে শুনানির জন্য সময়সীমা আরও বৃদ্ধি করা হবে কি না, তা নিয়েও অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে। যদিও প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি কমিশন।