বৃদ্ধা ইন্দুবালা দাসের ছবি হাতে তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত রায়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে। ছবি: সমাজমাধ্যম।
২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল ১৪ জনের। তার পরের দিন গোকুলনগর এলাকায় একটি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। অভিযোগ ছিল, তৎকালীন শাসকদল সিপিএমের লোকজনই ওই কাণ্ডে জড়িত। ওই মামলার অন্যতম সাক্ষী এক বৃদ্ধা ইন্দুবালা দাসকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। বুধবার নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়া তৃণমূল দফতরে আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি করেছে শাসকদল।
তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত রায়ের বক্তব্য, “ইন্দুবালার বয়স হয়েছে। তিনি অসুস্থ। সাক্ষ্য দিতে যেতে পারছেন না বলে ১৯ বছর পুরনো মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সুজিতের এ-ও দাবি, গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তেরা সে দিন ছিল সিপিএমের লোক। আজ তারাই বিজেপির জামা গায়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে।”
সাংবাদিক বৈঠকে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়া ইন্দুবালার ছবিও দেখান তৃণমূল নেতারা। তৃণমূলের অনেকের আশঙ্কা, ভোটের আগে নন্দীগ্রামে সিবিআই, এনআইএ-র মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির ‘সক্রিয়তা’ আরও বাড়বে। শাসকদলের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, ইন্দুবালা যত দিন না মুক্তি পাচ্ছেন, তত দিন আন্দোলন জারি থাকবে।