দমদম বিমানবন্দরের কাছে অদূর ভবিষ্যতেই দ্বিতীয় বিমানবন্দরের প্রয়োজন পড়বে বলে জানালেন অশোক গজপতি রাজু। তবে তা গ়ড়ার জন্য যে আগে রাজ্যকে জমি জোগাড় করতে হবে, সে কথাও মনে করিয়ে গেলেন তিনি।

মঙ্গলবার কলকাতায় বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখনও হয়তো সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যে নতুন বিমানবন্দর প্রয়োজন হবে।’’ বিকল্প যে জরুরি, তা মাস দুয়েক আগে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান গুরুপ্রসাদ মহাপাত্রও। এ নিয়ে চলতি মাসে তাঁর কলকাতায় এসে বৈঠকও করার কথা। কিন্তু একই সঙ্গে মন্ত্রী মনে করান, ‘‘বিকল্প বিমানবন্দরের জন্য সবার আগে জমি দরকার। আর তা দেবে রাজ্যই।’’

দমদম বিমানবন্দরের টার্মিনালে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। তা সম্প্রসারণ করা যাবে। কিন্তু যেখানে বিমান দাঁড়ায়, সেই পার্কিং বে-তে স্থান সঙ্কুলান হচ্ছে না। সমান্তরাল দু’টি রানওয়ে থাকা সত্ত্বেও তাদের মাঝে যথেষ্ট ফাঁক না-থাকায় একসঙ্গে দু’টিকে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তাই বিকল্প বিমানবন্দরের কথা তাৎপর্যপূর্ণ। ঠিক যে ভাবে দিল্লির কাছে গুড়গাঁওয়ে, মুম্বইয়ের কাছে নভি মুম্বইয়ে, হায়দরাবাদের কাছে বেগমপেটে বা চেন্নাইয়ের কাছে দ্বিতীয় বিমানবন্দর জরুরি হয়েছে। যদিও ওই সমস্ত শহরের মতো যাত্রী কিংবা উড়ান কলকাতা থেকে আছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।

মন্ত্রীর ইঙ্গিত নতুন বিমানবন্দর সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে তৈরিরই সম্ভাবনা। রাজ্য অন্ডালের কথা ভাবলে, তাতে কেন্দ্রের আপত্তি নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।