আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই সংস্থার আর্থিক ফলাফল কী ভাবে হোয়াটসঅ্যাপে প্রচারিত হল, সে ব্যাপারে তদন্ত তিন মাসের মধ্যে শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ককে নির্দেশ দিল সেবি। আরও কিছু সংস্থার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। সকলকেই সাবধান করে দিয়ে সেবি বলেছে, ফের এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রেহাই পাবেন না সংস্থার অডিটররাও।

বেশ কিছু সংস্থা চলতি আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফলাফল ঘোষণা করার আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ফাঁস হয়ে যায়। অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা হল, গত ২৫ জুলাই সংস্থাটি ফলাফল ঘোষণা করে বেলা ৪.২৩ মিনিটে। কিন্তু তার অনেক আগেই সকাল ৯.১২ মিনিটে তা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি নিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রক গত এক মাস ধরে তদন্ত করেছে। এ দিন পরিচালন পর্ষদের বৈঠকের শেষে এক সাংবাদিক বৈঠকে সেবি চেয়ারম্যান অজয় ত্যাগী বলেন, ‘‘তদন্তে দেখা গিয়েছে, সমস্ত তথ্য বেরিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি থেকেই। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজনে ‘ইনসাইডার ট্রেডিং সংক্রান্ত’ আইন সংশোধন করা হতে পারে।’’ উল্লেখ্য, ভিতরের তথ্য জেনে কোনও সংস্থার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যদি বেআইনি সুবিধা নিয়ে সেই সংস্থারই শেয়ার লেনদেন করেন, তাকেই বলা হয় ইনসাইডার ট্রেডিং।

এ দিকে নয়াদিল্লি থেকে সংবাদ সংস্থার খবর: যে-সব সংস্থার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে নিয়ম না-মানার জন্য তদন্ত চলছে, সেগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে রফায় আসতে সেট্‌লমেন্ট নোটিস জারি করা হবে বলে জানিয়েছে সেবি। যে-সব বিষয়ে আইন ভাঙার নিষ্পত্তির বিষয়টি এর আওতায় আসবে সেগুলি হল, সংস্থার অংশীদারি অথবা বিভিন্ন রিটার্ন এবং রিপোর্ট জমা দেওয়া সংক্রান্ত বিধি। নোটিস পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্থাকে ফি এবং বকেয়া টাকা থাকলে তা-ও মেটাতে হবে।