গভীর রাতে জোর করে গাড়িতে তুলে এক মহিলার শ্লীলতাহানি ও মারধরের ঘটনার পরে আটচল্লিশ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে ধরতে পারল না পুলিশ।

বর্ষবরণের রাতে গরফার সাঁপুইপাড়া মোড়ে ওই ঘটনা ঘটে। এক মহিলার সঙ্গে বচসার জেরে তাঁকে জোর করে গাড়িতে তুলে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল চালক। গাড়ির দরজা দিয়ে বেরিয়ে ছিল ওই মহিলার শরীরের অর্ধেকটা। চোখের সামনে সেই দৃশ্য দেখে দুই স্কুলপড়ুয়া মোটরবাইক নিয়ে ওই গাড়ির পিছু ধাওয়া করে সেটিকে আটকায়। মহিলাকে উদ্ধার করলেও গাড়ি নিয়ে চালক চম্পট দেয়। গত রবিবার রাতে এই ঘটনার পরেও গাড়িটিকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দাপ্রধান বিশাল গর্গ মঙ্গলবার বলেন, ‘‘ওই রাতে যে রাস্তা দিয়ে গাড়িটি গিয়েছিল, সেখানকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’’

অভিযোগকারী মহিলাকে এ দিন দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন গরফা থানার অফিসারেরা। ওই রাতে ঘটনাস্থলে থাকা চার যুবককেও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। নেতাজিনগরের বাসিন্দা ওই মহিলা এ দিন বলেন, ‘‘মোটরবাইক নিয়ে দুই তরুণ এগিয়ে না এলে হয়তো আমার বড়সড় বিপদই ঘটে যেত। গভীর রাতে সুনসান রাস্তায় দুই স্কুলপড়ুয়া যে ভাবে সাহস করে আমাকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাতে ওদের বারবার সেলাম জানাই। সেই রাতে আমি যে পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলাম, তাতে অনেকেই হয়তো ঝামেলার কথা ভেবে এড়িয়ে যেতেন। কিন্তু ওই দু’জন সে সব ভাবেনি।’’