আত্মীয়ের বাড়িতে এসে পরিচিত যুবকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কিশোরী। কিন্তু মন্দিরে যেতেই মন্দির কর্তৃপক্ষের মেয়েটির বয়স নিয়ে সন্দেহ হয়। জন্মের শংসাপত্র দেখতে চান তাঁরা। কিন্তু তা না দেখানোয় সেখান থেকে বেরিয়ে রাস্তাতেই মেয়েটিকে সিঁদুর পরিয়ে দেন যুবক। বাড়িতেও ‘বিয়ে’ মেনে নেওয়া হয়। তোড়জোড়ও শুরু হয়েছিল ঘটা করে বিয়ে দেওয়ার। কিন্তু এমন সময়ে ঘটল বিপত্তি। হঠাৎ বিয়ে বাড়িতে হাবরা থানার পুলিশ এসে বিয়ে বন্ধ করে দেয়।

সোমবার সন্ধ্যায় হাবরা এলাকার ঘটনা। মেয়েটির আঠারো বছর হতে আরও দু’মাস বাকি বলে জানিয়েছে পুলিশ। সে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। পাত্র দুবাইয়ে কাজ করেন। দু’টি পরিবারের লোকজনও দু’মাস পরেই তাঁদের বিয়ে দেবেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।    

ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল যুবকের। মেয়েটির বাড়ি নদিয়ার চাকদহে। হাবরায়  এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওই কিশোরী বেড়াতে এসেছিলেন দিন কয়েক আগে। সোমবার দু’জনে ঠিক করে, বিয়ে করবে। সেই মতোই সব কিছু এগোচ্ছিল। মেয়েটির যুক্তি, তার যে বয়স আঠারো হয়নি, তা খেয়ালই ছিল না। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। যুবকটি বলেন, ‘‘জানতাম না, ওর আঠারো বছর হয়নি। বিয়ে না করে বাড়ি নিয়ে গেলে হয় তো বাড়ির লোক মানত না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।’’ হাবরা চাইল্ড লাইনের সদস্য প্রকাশ দাস বলেন, ‘‘মেয়েটি এখন ভুল বুঝতে পেরেছে। আঠারো বছর হলেই সে ছেলেটিকে বিয়ে করবে।’’