গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে আলাদা বৈঠক করে পৃথক কর্মসূচি নিল ডুয়ার্সে আদিবাসীদের দু’টি গোষ্ঠী। এ দিন মধু চা বাগানে গোর্খাল্যান্ডের দাবির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিল আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতারা। অন্যদিকে বানারহাটে জরুরি বৈঠক করে জন বার্লা গোষ্ঠী গোর্খাল্যান্ডের বিপক্ষে বা পক্ষে না গিয়ে ডুয়ার্সে শান্তিতে জোর দিয়েছেন।

আদিবাসী বিকাশ পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে তাদের অনেক নেতা বিকাশ পরিষদ ছেড়ে রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন। আন্দোলনে নামতে কর্মীরা এ দিন বৈঠক করে জয়গাঁ ও হাসিমারা আঞ্চলিক কমিটি নতুন করে গঠন করেন। পাশাপাশি বানারহাট এলাকায় জন বার্লা গোষ্ঠীও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বৈঠক করেন।

গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে অশান্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়। বনধ ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগের ঘটনার জেরে বিপর্যস্ত জনজীবন। পাহাড়ের অশান্তির আঁচ সমতলেও লাগতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতেই আদিবাসী বিকাশ পরিষদের সমর্থকরা পথে নেমে গোর্খাল্যান্ডের আন্দোলনের বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।  পরিষদের হাসিমারা জয়গাঁও আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি হন নির্মল লোহার বলেন, ‘‘বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আদিবাসী বিকাশ পরিষদ গোর্খাল্যান্ডের বিরোধিতায় আন্দোলনে নামবে। রূপরেখা হচ্ছে।’’

জন বার্লা জানান, রবিবার তাঁর বাড়িতে আদিবাসী নেতাদের নিয়ে বৈঠক। তার আগে এ দিন বানারহাটে তরাই ডুয়ার্সের আদিবাসী নেতার নিয়ে জরুরি বৈঠক হয়েছে। জন বারর্লা গোষ্ঠীর নেতা ত্রিয়োফিল সোরেন জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আদিবাসীরা গোর্খাল্যন্ডের পক্ষে বা বিপক্ষে যাবেন না। কারণ সমস্ত চা বাগানে বিভিন্ন জনজাতির মানুষ বসবাস করে। তবে ডুয়ার্সে যাতে কোনও ভাবে অশান্তি না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখা হবে। এলাকায় সমস্ত জনজাতি যাতে শান্তিতে থাকে তা নিয়ে প্রয়োজনে আলোচনা করা হবে।