সেন্সর বোর্ডের সবুজ সঙ্কেতে অবশেষে কিছুটা স্বস্তিতে টিম-পদ্মাবতী। নাম বদলে ‘পদ্মাবত’ হয়ে অবশেষে মুক্তির বার্তা এসেছে। যদিও বোর্ডের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মেবারের রাজপরিবার। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি না নিয়েই ছবি মুক্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়েছে বোর্ড।

দেড়শো কোটির ছবিটিকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিতে বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করেছিলেন সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রসূন জোশী। তাতে রাখা হয়েছিল একটি বিশেষ প্যানেল। সেই প্যানেলে ইতিহাসবিদদের সঙ্গে ছিলেন মেবারের রাজপরিবারের সদস্য অরবিন্দ সিংহও। ছবিটি দেখানো হয়েছিল তাঁদের। অরবিন্দ সিংহের দাবি, ফিল্মের বেশ কিছু দৃশ্য নিয়ে তিনি আপত্তি জানিয়েছিলেন। এ-ও বলেছিলেন, ‘‘এ ছবির দিনের আলো দেখতে পাওয়া উচিত নয়।’’

অরবিন্দের দাবি, তাঁর অনুমতি না নিয়েই ছবিটিকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ জানিয়ে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে একটি চিঠিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রসূন জোশীকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন অরবিন্দ।

আরও পড়ুন:ছাড়পত্র, পদ্মাবতী হবে ‘পদ্মাবত’

গত কালও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে অরবিন্দ বলেছিলেন, ‘‘ওই সিদ্ধান্ত আমাদের নয়। আমার কাছে জানতে চাওয়া হলে একটাই কথা বলব, ওই ছবি মুক্তির কোনও প্রশ্নই নেই। ২ ঘণ্টা ৪১ মিনিটের ছবিতে বেশ কিছু দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। শুধু রাজপুতই নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের আবেগেও আঘাত হানতে পারে ছবিটি।’’

এই নিয়ে দ্বিতীয় চিঠি গেল রাজপরিবার থেকে। এর আগে বিশ্বরাজ সিংহও চিঠি দিয়েছিলেন প্রসূন জোশীকে। তাঁর অভিযোগ—‘‘ছবির নাম বদলের মতো উপর-উপর কিছু জিনিস পাল্টে ফেলে তো আর ছবির বিষয়বস্তুটাকে বদলে ফেলা যায় না। ছবিতে জায়গার নাম, আমার পূর্বপুরুষদের নাম, তাঁদের ইতিহাস, সবই তো থেকে যাচ্ছে!’’