মাত্র পাঁচ বছরের মেয়েটিকে প্রথমে অপহরণ করেছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্র। ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণও চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তার গতিবিধি টের পেয়েছে আঁচ করে মেয়েটিকে জল ভর্তি গামলায় ডুবিয়ে মারে সে। অপরাধ লুকোতে কুলারের মধ্যে লুকিয়ে রাখে শিশুটির দেহ। বৃহস্পতিবার রাত একটা নাগাদ পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে।

হরিয়ানার অম্বালার এই ঘটনা জেনে স্তম্ভিত পুলিশ। ছেলেটির মধ্যে অনুতাপের লেশমাত্র নেই বলে জানিয়েছে তারা। ষোলো বছরের ছেলেটিকে জেরা করে পুলিশ বলেছে, ‘‘সিনেমা দেখে সহজে টাকা কামানোর এই পথ বেছে নেয় ওই কিশোর।’’ এসপি জানিয়েছেন, শিশুটির বাবার দোকানে কাজ করত এই কিশোরের জামাইবাবু। তিনি পরিবারের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশে গিয়েছিলেন। এই সুযোগটাই কাজে লাগায় কিশোর।

তার কাছ থেকে পুলিশ জেনেছে, মেয়েটি বাড়ির বাইরে খেলছিল। এই সময় তাকে ভুলিয়েভালিয়ে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে আনে ওই কিশোর। মেয়েটিকে দেখতে না পেয়ে তার পরিবার পুলিশে অভিযোগ জানায়। এর মধ্যেই মেয়েটির বাবার এক প্রতিবেশীর কাছে মুক্তিপণ চেয়ে ফোন আসে। সেই ফোনকল থেকেই পুলিশ এই কিশোরকে খুঁজে বার করে। পুলিশ আসছে বুঝতে পেরেই মেয়েটিকে মারার সিদ্ধান্ত নেয় সে।