ভোটে কালো টাকার খেলা বন্ধ করার হুঙ্কার দিয়ে নির্বাচনী বন্ড চালু করে দিল নরেন্দ্র মোদী সরকার।

গত বাজেটেই অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি নির্বাচনী বন্ড চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তার খুঁটিনাটি ঠিক করার পরে আজ সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, ১ হাজার, ১০ হাজার, ১ লক্ষ, ১০ লক্ষ ও ১ কোটি টাকা মূল্যের বন্ড পাওয়া যাবে।
কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতে চাইলে, তিনি বন্ড কিনে দলের হাতে তুলে দেবেন। রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে সেই বন্ড ভাঙিয়ে নিতে হবে।

বিরোধী দল ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এতে অস্বচ্ছতা আরও বাড়বে। বিশ্বের কোনও দেশেই এমন ব্যবস্থা নেই। বন্ড ভাঙাচ্ছে রাজনৈতিক দল। ফলে কোন কর্পোরেট সংস্থা কাকে ভোটে সাহায্য করছে, তার বিনিময়ে সরকারের থেকে কী সুবিধে আদায় করছে, তা কিছুই বোঝা যাবে না। উল্টো দিকে সরকারের যুক্তি, চাঁদা কারা দিচ্ছেন তা প্রকাশ করতে গেলে এত দিনের মতো নগদে, কালো টাকার লেনদেনই হবে।

অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, ‘‘বন্ডের ফলে নির্বাচনী চাঁদা ব্যবস্থা স্বচ্ছ করতে হবে। স্বচ্ছতা আসবে।’’

গুরুত্বপূর্ণ শহরে স্টেট ব্যাঙ্কের বাছাই করা কয়েকটি শাখায় জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই ও অক্টোবর মাসের ১০ দিন এই বন্ড মিলবে। লোকসভা ভোটের বছরে বন্ড কেনার জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় থাকবে। শেষ লোকসভা বা বিধানসভা ভোটে যে সমস্ত দল অন্তত ১ শতাংশ ভোট পেয়েছে, তারাই এই সুযোগ পাবে।