নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের জেরে শরদ যাদবকে রাজ্যসভার সংসদীয় দলনেতার পদ থেকে সরিয়ে দিল জেডিইউ। আজ জেডিইউ সংসদীয় দলের তরফে উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুকে চিঠি দিয়ে শরদের জায়গায় নীতীশ-ঘনিষ্ঠ রামচন্দ্র প্রসাদ সিংহকে রাজ্যসভার নতুন নেতা বাছাই করার কথা জানানো হয়। এই মুহূর্তে রাজ্যসভায় জেডিইউয়ের দশ ও লোকসভায় দু’জন সাংসদ রয়েছেন। এর মধ্যে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে কাল সনিয়া গাঁধীর ডাকা বিরোধী বৈঠকে হাজির হওয়ায় জেডিইউ নেতৃত্ব তাঁদের রাজ্যসভা সাংসদ আলি আনোয়ারকে সাসপেন্ড করেছে।

পাশাপাশি, আজ টুইট করে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ জানান, কেন্দ্রের এনডিএ সরকারে যোগ দেওয়ার জন্য জেডিইউকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গত কালই নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে অমিত শাহ এই প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে নীতীশকে তাঁরা এনডিএ-র আহ্বায়ক পদ গ্রহণের জন্যও অনুরোধ করেছেন। এতে জাতীয় রাজনীতিতে নীতীশ কুমারের গুরুত্ব বাড়বে বলে জেডিইউ নেতৃত্ব মনে করছেন। তবে জেডিইউ এ ব্যাপারে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৯ অগস্ট দলের কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছেন নীতীশ। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে দল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। একই সঙ্গে শরদ যাদবের ‘বিদ্রোহ’ নিয়েও ওই বৈঠকে কথা হবে। তবে নিয়ম মেনেই কর্মসমিতির সদস্য শরদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:পওয়ারকে পেতে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি

বর্তমানে শরদ বিহারে ‘বহুজন চৌপাল যাত্রা’-য় বেরিয়েছেন। দলনেতার পদ থেকে তাঁর অপসারণ নিয়ে মুখ খোলেননি। তাঁর কথা, ‘‘এখন আমি বিহারবাসীর সঙ্গে কথা বলছি। এখনই এ নিয়ে কোনও কিছু বলব না।’’ তবে নিজেকে মহাজোটের সদস্য হিসেবে দাবি করেন তিনি। আলি আনোয়ারকে বিরোধী দলগুলির বৈঠকে তিনিই পাঠিয়ে ছিলেন বলেও শরদ জানান।  শরদ সম্পর্কে জেডিইউয়ের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আরজেডির মুখপাত্র ভাই বীরেন্দ্র বলেন, ‘‘শরদ যাদবকে অপমানের মূল্য চোকাতে হবে জেডিইউকে।’’