• বক্তৃতার শেষে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাতের সরকারকেও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

• জাপানের মোট জনবসতির সমান মানুষ প্রতি সপ্তাহে রেলে যাতায়াত করেন এ দেশে, সুতরাং ভারতের রেল সম্ভাবনাময়: মোদী।

• মোদী বলেন, এর আগের কোনও সরকার রেলের উন্নতির জন্য এমনভাবে ভাবেইনি।

• কলকাতা-লুধিয়ানা ইস্টার্ন ফ্রেট করিডরের কাজ দ্রুত শুরুর ব্যাপারেও আশাবাদী মোদী।

সকাল ১১ টা

• ভারত-জাপান ভবিষ্যতে মিলিত ভাবে এ দেশে আরও উচ্চগতির পরিবহণ ব্যবস্থা চালু করতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

• স্বপ্ন পূরণের পথে আরও এক ধাপ এগলো নতুন ভারত: নরেন্দ্র মোদী।

• দেশে উচ্চগতি সম্পন্ন পরিবহণ ব্যবস্থা দরকার ছিল বলেও মন্তব্য করেন মোদী।

• প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুলেট ট্রেনের হাত ধরেই আর্থিক-সামাজিক ক্ষেত্রে বদল আসবে।

•  মোদী বলেন, বুলেট ট্রেন সুস্থ ও পরিবেশবান্ধব। 

• বুলেট ট্রেনের জন্য বাড়বে কর্মসংস্থান, বাড়বে বিদেশি লগ্নি: মোদী।

সকাল ১০টা ৫৬

• প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বার বুলেট গতিতে হবে দেশের প্রগতি। উন্নয়নের জন্য একটি সুস্থ পরিবহণ ব্যবস্থা বুলেট ট্রেন।

• মোদী বললেন, এটাই নতুন ভারত। এ ভাবেই এগিয়ে যাবে ভারত।

• ভারত ও জাপান দু’দেশের কাছেই এটি ঐতিহাসিক দিন: মোদী।

• ভারতের কাছের বন্ধু জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী।

• গুজরাতের সবরমতীতে বুলেট ট্রেন উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সকাল ১০টা ৩৭

আরও পড়ুন: বাঁশের ট্রেন, বাঁশের স্টেশন, একবিংশ শতকে এটাই ভরসা ওদের

আরও পড়ুন: এই সব ট্রেনের গতির কাছে গতিমান-ট্যালগোরা নস্যি

অবসরের আলাপচারিতা। নরেন্দ্র মোদী ও শিনজো আবে। ছবি: এএফপি

অপেক্ষার অবসান। বৃহস্পতিবার আমদাবাদে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। আমদাবাদ-মুম্বই বুলেট ট্রেনটি ২০২২-এর ১৫ অগস্ট থেকে এ দেশে চলবে বলে জানিয়েছে রেল মন্ত্রক। রেলমন্ত্রী পিযূষ গয়াল জানিয়েছেন, ২০২২ সালের মধ্যেই মুম্বই থেকে আমদাবাদ পর্যন্ত দেশের প্রথম বুলেট ট্রেনের কাজ শেষ হয়ে যাবে।

স্বাধীনতা দিবসের দিনই দেশের দ্রুততম এই ট্রেনের চাকা প্রথম গড়াবে। সে বছর আবার স্বাধীনতা দিবসের ৭৫তম বর্ষ। পরিকল্পনামাফিক প্রাথমিক স্তরে মুম্বই থেকে আমদাবাদের মধ্যে বসবে বুলেট ট্রেনের লাইন। মুম্বই থেকে আমদাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করবে এই ট্রেন। গড়ে ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। ভারতের যে কোনও দ্রুততম ট্রেনের থেকে যা অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: ৩০ রকম নিরামিষ পদে জাপানি অতিথি বরণ করলেন মোদী

পরিকল্পনামাফিক প্রাথমিক স্তরে মুম্বই থেকে আমদাবাদের মধ্যে বসবে বুলেট ট্রেনের লাইন। মুম্বই থেকে আমদাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করবে এই ট্রেন। গড়ে ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। ভারতের যে কোনও দ্রুততম ট্রেনের থেকে যা অনেক বেশি। ফলে ৫০৮ কিলোমিটার যে পথ অতিক্রম করতে এখন সময় লাগে সাত ঘণ্টা মতো, সেটাই কমে দাঁড়াবে দু’ঘণ্টায়। গোটা পথটিতে থাকবে ১২টি স্টেশন। বান্দ্রা থেকে কুরলা পর্যন্ত এই ট্রেন সমুদ্রের নীচ দিয়ে যাবে। প্রাথমিক ভাবে এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮১ শতাংশ অনুদান দেবে জাপান। চুক্তি অনুযায়ী ৫০ বছরে ০.১ শতাংশ সুদের হারে এই টাকা ফেরত দিতে হবে ভারতকে।