আপাতত স্বস্তি মিলল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। 
সহারা ডায়েরি মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) কোনও তদন্ত করবে না বলে বুধবার জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বক্তব্য, তদন্ত শুরু করার মতো পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। অভিযোগ, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় নরেন্দ্র মোদী ও কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত সহারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 
সুপ্রিম কোর্ট এ দিন তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, যদি যথাযথ নয়, এমন সামান্য কিছু তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর মতো কোনও সাংবিধানিক পদাধিকারীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিতে হয়, তা হলে সাংবিধানিক পদাধিকারীদের কাজে ব্যাঘাত ঘটে। আর তাতে গণতন্ত্রও নিরাপদ থাকে
না।’’
তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত ও যথাযথ তথ্যপ্রমাণ হাতে নেই বলে গত ১৪ নভেম্বরই মামলার শুনানিতে ইঙ্গিত দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। তবে আদালত ওই তদন্তের দেখভাল করুক, এই আর্জি জানিয়ে একটি হলফনামা পেশ করেছিলেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তাঁর আর্জি ছিল, এই মামলায় যে রাজনীতিকদের নাম উঠে এসেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিক আদালত। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহাতগি এ দিন আদালতে বলেন, এমন কোনও প্রমাণ নেই যে সহারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘুষ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়ে। বুধবার মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, কোনও অপরাধ হলেই তবে এফআইআর দায়ের করা যায়।