রেড রোডের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করেছিলেন তিনি। কারণ, সূত্রের মতে দিদি-র কাছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি ছিল, নারদ কাণ্ডে অন্যতম দুই অভিযুক্ত শোভন চট্টোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমকে যেন মন্ত্রিসভায় না নেওয়া হয়। মমতা সেই দাবি না শোনায় ক্ষোভ গোপন রাখেননি অভিষেক।

তৃণমূল সূত্রের খবর, এখন নারদ-কাণ্ডে সিবিআই এফআইআর করার পরে ঘনিষ্ঠ মহলে অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তদের হয়ে সওয়াল করতে মমতা মুখ খুললেও তিনি তা করবেন না। বরং, তাঁর মতে, মন্ত্রিসভা গঠনের সময়ে দিদি তাঁর মতকে গুরুত্ব দিলে দলকে এই অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হতো না!

নারদ-কাণ্ডে এখনও প্রতিক্রিয়া দেননি অভিষেক। যুব তৃণমূল সভাপতির ঘনিষ্ঠ সূত্রে অবশ্য বলা হচ্ছে, অভিযুক্তদের সকলের উপরেই যে তিনি অসন্তুষ্ট, তা নন। তবে কয়েক জনের ব্যাপারে তাঁর বিশেষ আপত্তি।

তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, মন্ত্রিসভা গঠনের সময়ে অভিষেকের মতকে গুরুত্ব দিতে মমতার অসুবিধা ছিল। কারণ, কিছু বিষয়ে শোভন-ববির উপরে নির্ভরশীল তিনি। তবে দলে অভিষেকের গুরুত্ব বাড়াতে ৃতাঁকে বকলমে ়বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদের মতো জেলার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, হুগলী জেলার উপরেও তাঁকে নজর রাখতে বলেছেন দলনেত্রী। তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন আজ, শুক্রবার। এর পরে অভিষেক রাজ্য সংগঠনের অন্যতম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেতে পারেন, এমন সম্ভাবনাও চর্চা হচ্ছে।