দার্জিলিং নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে যাতে সব শিবিরই যোগ দেয়, তা নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। ওই কমিটির কাজ হবে রাজ্য ও গোর্খা নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের জন্য ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করা। দীপাবলির পরেই ওই কমিটি কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। তার পরেই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডাকার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

দার্জিলিং প্রশ্নে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে গত মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষেরা। তার পরে বিবৃতি দিয়ে পনেরো দিনের মধ্যে কমিটি গড়ে আলোচনা শুরুর উপরে জোর দেন রাজনাথ। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে ৯ অক্টোবর। তাই আর দেরি না করে চলতি সপ্তাহেই তিন সদস্যের কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব গওবা।

আরও পড়ুন: ‘রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র চলতে পারে না ’ সরব মুকুল

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, এর আগে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডাকা হলেও রাজ্য তাতে অনুপস্থিত ছিল। তার পুনরাবৃত্তি রুখতেই কমিটি গড়া হয়েছে। তবে কমিটি বিমল গুরুঙ্গের সঙ্গেই শুধু কথা বলবে, নাকি বিনয় তামাঙ্গদের সঙ্গেও যোগাযোগ করবে, তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাইছেন না মন্ত্রকের কর্তারা। রাজ্যের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রেও সতর্ক ভাবেই এগোতে চায় কেন্দ্র। মন্ত্রক সূত্রের খবর, রাজনাথ নিজেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। মন্ত্রকের এক কর্তার কথায়, ‘‘অতীতেও এই ধরনের ‘ট্র্যাক টু’ হয়েছে। দু’জনের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভাল।’’

দিল্লির ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই অডিও-বার্তায় গুরুঙ্গ বলেন, ‘‘আমি ত্রিপাক্ষিকে যেতে চাই। কিন্তু প্রাণনাশের আশঙ্কা করছি।’’