বিশ্বভারতীর উপাচার্য পদে নিয়োগের কাজ আগামী দিন দশেকের মধ্যেই সেরে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। 

একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে প্রায় দু’বছর আগে উপাচার্যের পদ থেকে সরে যান সুশান্ত দত্তগুপ্ত। প্রায় সেই সময় থেকেই সহ-উপাচার্য হিসেবে বিশ্বভারতীর দায়িত্ব নেন অধ্যাপক স্বপনকুমার দত্ত। শূন্য উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য গত বছরের মাঝামাঝি বিজ্ঞাপন দেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, সহ-উপাচার্য স্বপনবাবু ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের আরও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওই পদে যোগদানের ইচ্ছা জানিয়ে আবেদন করেন। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য বিষয়টি যায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে। কিন্তু মন্ত্রক সূত্রের খবর, নানা কারণে বিষয়টি আটকে যায়। বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সম্প্রতি ব্যক্তিগত ভাবে উদ্যোগ নেন প্রকাশ জাভড়েকর। বর্তমান রাষ্ট্রপতির কাছে ফাইল পাঠানোর পাশাপাশি বাংলার যোগ থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণববাবুর সঙ্গেও দেখা করে আলোচনা করেন প্রকাশ। বিশ্বভারতীতে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আগামী সাত-দশ দিনের মধ্যে ওই কাজ সেরে ফেলা হবে।’’ 

মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, কয়েক মাসের মধ্যেই অবসর নেবেন স্বপনবাবু। তাই তার আগেই নতুন উপাচার্য নিয়োগ সেরে ফেলতে চাইছে কেন্দ্র। পাশাপাশি আগের উপাচার্যের সময় নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় নতুন উপচার্য না আসা পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয় ইউজিসি। ফলে স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় প্রায় দু’বছর ধরে নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়গুলি কার্যত থমকে রয়েছে বলে অভিযোগ বিশ্বভারতীর শিক্ষকদের।