প্রত্যাশামতোই মীরা কুমারকে ভোট দিলেন এবং আক্রমণ করলেন কেন্দ্রকে। নোটবন্দি থেকে জিএসটির মতো পদক্ষেপকে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা বলে মন্তব্য করে কেন্দ্রের কড়া সমালোচনাও করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদী সরকারের আমলে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজ্যে মোট ২৯৪ জন বিধায়ক। তার মধ্যে ২৮৮ জনই রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন করেছেন মীরা কুমারকে। বিধানসভায় ভোট দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস মীরা কুমারকেই সমর্থন করছে। এটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভোট। প্রতিবাদ, প্রতিরোধের ভোট।’’ বিজেপির বিরুদ্ধে সব শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, লোকসভায় আসন সংখ্যার জোরে মানুষকে হেয় করছে শাসক দল।

আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি-র প্রার্থী দৌড়ে বেঙ্কাইয়া নায়ডু

মমতার আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির গাফিলতিতেই বাংলাদেশের সাতক্ষীরা দিয়ে এ রাজ্যে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটছে। চিনের জন্যও রাজ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মমতার দাবি, গত কয়েক বছরে ভুটান ও নেপালে চিনের সক্রিয়তা অনেক বেড়েছে। যার ছায়া পড়ছে দার্জিলিঙেও। এর জন্য কেন্দ্রের ভুল বিদেশনীতিকেই দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার হুঁশিয়ারি, ‘‘জেলে পাঠাতে চাইলেও আমরা ভয় পাই না। লড়াই ছেড়ে এক পা-ও সরে আসবে না তৃণমূল কংগ্রেস।’’

তবে কেন্দ্রকে তোপ দাগলেও নির্বাচনে রামনাথ কোবিন্দ জয়ী হলেও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।