পুজোর সময়টায় ঘোরাঘুরি, আড্ডা হবেই। কিন্তু, দীর্ঘ ক্ষণ বাইরে থাকায়, ঘোরাফেরা করায় অতিরিক্ত ঘামের কারণে গায়ে দুর্গন্ধ হলে তা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রইল ১০টি সহজ টিপ্স।
সঠিক পোশাক নির্বাচন: ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে সুতির পোশাক পরা সবচেয়ে ভাল। সিন্থেটিক বা পলিয়েস্টার কাপড়ের বদলে সুতির কাপড় বাতাস চলাচল করতে সাহায্য করে এবং শরীর ঠান্ডা রাখে।
ডিওডোরেন্ট ব্যবহার: স্নানের পর ত্বক ভাল ভাবে শুকিয়ে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন। ডিওডোরেন্ট ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে। তবে সরাসরি ঘর্মাক্ত ত্বকে ব্যবহার করবেন না।
হাইড্রেটেড থাকা: পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কমায়। শরীরের টক্সিন বের করতেও জল খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নিয়মিত স্নান: দিনে অন্তত দু’বার স্নান করুন। এটি শরীরের ঘাম ও ময়লা পরিষ্কার করে, যা দুর্গন্ধের মূল কারণ। বিশেষত, বাইরে থেকে আসার পর অবশ্যই স্নান করুন।
স্বাস্থ্যকর খাবার: পেঁয়াজ, রসুন বা বেশি মশলাযুক্ত খাবার খেলে ঘামের দুর্গন্ধ বাড়তে পারে। তাই পুজোর সময় এই ধরনের খাবার কিছুটা এড়িয়ে চলুন।
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান: অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করে ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বিশেষ করে বগল ও পায়ের মতো অংশে এই সাবান ব্যবহার করুন।
ভেজা টিস্যু ও ওয়াইপস: বাইরে থাকার সময় সঙ্গে ভেজা টিস্যু বা ওয়াইপস রাখুন। প্রয়োজনে ঘামের জায়গা মুছে নিতে পারেন। এটি তাৎক্ষণিক আরাম দেবে এবং সতেজ রাখবে।
ফুট পাউডার: পায়ের দুর্গন্ধ এড়াতে মোজা পরার আগে ফুট পাউডার ব্যবহার করুন। এতে পা শুকনো থাকবে এবং দুর্গন্ধ হবে না। মোজা অবশ্যই সুতির হতে হবে।
অতিরিক্ত চাপ এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা ঘামের পরিমাণ বাড়ায়। তাই উৎসবের এই সময়ে নিজেকে চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম এ ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।
জুতো পরিষ্কার রাখা: যে জুতো প্রতি দিন ব্যবহার করছেন, তা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। কারণ, জুতোর মধ্যে ব্যাকটেরিয়া জন্মালে পায়ে দুর্গন্ধ হতে পারে। পুজোর জন্য নতুন বা শুকনো জুতো ব্যবহার করুন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।