১৯৬৬ সাল, পুজো শুরু করে ভবানীপুর ৭৬পল্লী সর্বজনীন দুর্গা উৎসব কমিটি। এই বছর তাঁদের ৫৭ বছরের পুজো। দুর্গাপুজোর একদম চিরাচরিত ধারা মেনে এখানে পুজো করা হয়। এত বছরের পুজোতে থিমের দিকে একবারও ঝোঁকেনি এই পুজো কমিটি।
প্রতিবছরের ধারা মেনে এ বারও কোনও থিমের পুজোর দিকে যায়নি তাঁরা। মণ্ডপ শিল্পী হরপ্রসাদ বরকন্দাজ নিজের মনের মতো করে টেরাকোটার সঙ্গে প্লাইউড মিলিয়ে পুজো মণ্ডপ তৈরি করছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে চিরায়ত রপেই। পুজোর এক দিন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত বাচ্চাদের বিনামূল্যে ঔষুধ, জামা কাপড় দেওয়া হবে এখানে প্রতি বারের মতো। সেই দিন তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ক্লাবের সম্পাদক রিক দাস বলেন, ‘‘আমাদের পুজো বরাবরই সাধারণ, সাবেকি। আমরা থিমের দিকে যেতে চাই না। আমরা এক দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা ভাবছি।’
যাবেন কী করে- নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে বাঁ-দিকে যেতে হবে। একটু হাঁটলেই হরিশ মুখ্যোপাধ্যায় রোড। সেখানেই মণ্ডপে যাওয়ার প্রবেশ পথ। ল্যান্ডমার্ক থাকছে ভবানীপুর গ্রন্থাগার।
মণ্ডপ শিল্পী- হরপ্রসাদ বরকন্দাজ
প্রতিমা শিল্পী- সুশান্ত দাস
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।