Sanofi

মেনিংগোকোকাল মেনিনজাইটিস: একটি বিরল কিন্তু মারাত্বক ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন

পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জন ব্যক্তি, তাদের নাকের পিছনের অংশে এবং গলায় মেনিংগোকোকাল ব্যাকটেরিয়া বহন করে।

Advertisement

বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২০ ০১:২০
Share:

বিরল হলেও মেনিংগোকোকাল মেনিনজাইটিস অত্যন্ত জটিল এবং মারাত্বক একটি ইনফেকশন যা সরাসরি মস্তিষ্ক এবং শরীরের রক্তকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডের উপরের ঝিল্লিতে জ্বালা অনুভব হয়। বর্তমান সময়ে চিকিৎসার প্রভুত অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও, এই ইনফেকশন কিন্তু রিতীমতো ভয়াবহ। যা মাত্র ২৪-৪৮ ঘণ্টার1 মধ্যেই কোনও বাচ্চার মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে সক্ষম। এমনকী যারা এই সংক্রমণের সংস্পর্শে আসে, পরবর্তীকালে তাদের মধ্যেও বধিরতা, শরীরে ক্ষতচিহ্ন, অঙ্গচ্ছেদ2 ইত্যাদির মতো বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা লক্ষ্য করা যায়। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া ১৫ শতাংশ মানুষ তাদের বাকি জীবদ্দশায় মস্তিষ্ক এবং স্নায়ু রোগ মতো জটিল সমস্যায় ভুগতে থাকে3

Advertisement

এই মারণ রোগ সম্পর্কে এই সমস্ত তথ্যগুলি জেনে নিন, যা অজানা হয়েই রয়ে গিয়েছে। জেনে নিন কীভাবেই বা মুক্তি পাওয়া যাবে এর হাত থেকে।

কেউই সুরক্ষিত নয়:

Advertisement

অনুর্ধ্ব ৫ বছরের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে, বয়ঃসন্ধিকালে ‌এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যেই মূলত এই রোগ দেখা যায়। যদিও এই রোগটি অত্যন্ত অনিশ্চিত। বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে, যে কোনও মানুষ, যে কোনও বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে4। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সুস্থ-সবল ব্যক্তিরাই এই রোগে আক্রান্ত হন।

কারণ:

মেনিংগোকোকাল মেনিনজাইটিস-এর মূল কারণ হল নেইসেরিয়া মেনিনজাইটিডিস নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যাকে মেনিগোকোকাসও বলা হয়। অন্য কিছু ব্যাকটেরিয়ার থেকেও মেনিনজাইটিস সংক্রমিত হতে পারে। তবে সেটি কোনও ভাবেই মেনিংগোকোকাল মেনিনজাইটিস নয়। রাখতে হবে যে, সারা বিশ্বে এই ব্যাকটেরিয়াগুলি সঞ্চালনের কোনও সঠিক দিকনির্দেশ নেই এবং এটি সময়, মানুষের বয়স এবং ভৌগোলিক অবস্থার উপরেও নির্ভর করে।

এটি ছড়ায় কীভাবে?

পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জন ব্যক্তি, তাদের নাকের পিছনের অংশে এবং গলায় মেনিংগোকোকাল ব্যাকটেরিয়া বহন করে। বাইরে থেকে যার কোনও নির্দিষ্ট কোনও চিহ্ন থাকে না5। এটিকে বলা হয় বাহক6। বাইরে থেকে কিছু বোঝা না গেলেও এই ব্যাকটেরিয়া কিন্তু যে কোনও সময় মানবদেহে সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম। অবশ্য, সাধারণ সর্দি-কাশি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বরের মতো মেনিংগোকোকাল অত সহজে ছড়িয়ে না। তবে এই ধরনের অন্যান্য রোগের তুলনায় অনেক এটি অনেক বেশি ভয়াবহ7। সংক্রামক ব্যক্তিকে চুম্বন, তাদের কাশি, সর্দি-কফ ইত্যাদি থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই রোগ।

মেনিংগোকোকাল মেনিনজাইটিস-এর লক্ষণগুলি ক্ষেত্র বিশেষে পরিবর্তিত হতে পারে। প্রথম দিকের লক্ষণগুলি বিভ্রান্তিকর হতে পারে কারণ এটি সাধারণ জ্বরেরই অনুরূপ। যেমন, অস্বস্তিবোধ, জ্বর, খিদে কমে যাওয়া, ইত্যাদি। ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ নির্ণয় করা খুবই কঠিন। তবে, এর মধ্যে কোনও একটি লক্ষণ দেখা গেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নেওয়া আবশ্যিক। কারণ ২৪ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে এটি মারাত্মক আকার নিতে পারে8

প্রাথমিক লক্ষণাবলী:

অস্বস্তি বোধ

জ্বর

মাথা

যন্ত্রণা

বমি বমি ভাব

ঘাড় ব্যাথা

আলোতে অস্বস্তি

ঝিমুনি ভাব

গাঁটে ব্যাথা

মানসিক অবস্থার পরিবর্তন

উপরোক্ত কোনও লক্ষণ দেখতে পেলেই যত দ্রুত সম্ভব রক্ত এবং সেরিব্রাল ফ্লুইড পরীক্ষা করতে হবে। দেখতে হবে, নেইসেরিয়া মেনিনজাইটিস ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে কিনা9

ভারতের অবস্থা এই মূহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতে, এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা অত্যন্ত কম। কিন্তু এখনই কোনও ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তীকালে তা বড় আকার নিতে পারে।

এখন কী করণীয়:

রিসার্চ বলছে, এই রোগ রোধের একমাত্র উপায় হল ভ্যাকসিনেসন বা প্রতিষেধক নেওয়া। আর প্রত্যেক বাবা-মা’ই চান তাদের সন্তানদের সেরাটা দিতে। মেনাক্ট্রা (এমসিভি – মেনিংগোকোকাল কনজুগেট ভ্যাকসিন), হল এমনই একটি ভ্যাকসিন, যা নেইসেরিয়া মেনিনজাইটিস-এর বিরুদ্ধে লড়াই করে, যেটি কিনা মেনিংগোকোকাল মেনিনজাইটিস-এ মূল কারণ। এটি ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিস-এর একটি রূপ (ব্যাকটেরিয়ার আরও দুটি রুপ হল স্ট্রেপটোকোকাস নিউমোনাই এবং এইচ. ইনফ্লুয়েঞ্জা)10।

আপনি কেন এই ভ্যাকসিনটিকেই বেছে নেবেন:

কারণ, বর্তমানে মেনাক্ট্রা হল একমাত্র মেনিংগোকোকাল কনজুগেট ভ্যাকসিন যা ভারতে পাওয়া যায়। পাশাপাশি একমাত্র এই ভ্যাকসিনটিই অনুর্ধ্ব ৯ মাসের বাচ্চাদেরও দেওয়া যায়। প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়ার কারণে এই সময়েই বাচ্চাদের সবথেকে বেশি ভ্যাকসিনেশনের দরকার হয়11

তা হলে বাবা-মা’রা, আর অপেক্ষা কিসের? দেরি হওয়ার আগে বাচ্চাকে দিন প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ ভ্যাকসিন। মনে রাখবেন – প্রতিরোধ চিকিৎসার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Disclaimer:

SANOFI PASTEUR’S LEGACY: 40 YEARS FIGHTING MENINGOCOCCAL MENINGITIS

At Sanofi Pasteur, we believe in a world where no one suffers or dies from vaccine preventable diseases. For over 40 years, Sanofi Pasteur has worked passionately to innovate and develop preventative strategies and therapies helping society to fight meningococcal meningitis, as well as outbreak control.

Reference:

এটি একটি বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন। স্পনসরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement