University of Engineering and Management

বিশ্বমানের শিক্ষা, আধুনিক গবেষণা ও প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে এগিয়ে রাজস্থানের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

‘টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৫’-এ স্থান করে নিয়ে ‘ইউইএম জয়পুর’ দেশের অন্যতম স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ১১:৪৪
Share:

উচ্চশিক্ষার জগতে বিশেষ পরিচিতি তৈরি করেছে ‘ইউইএম জয়পুর’

উচ্চশিক্ষার জগতে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে বিশেষ পরিচিতি তৈরি করেছে ‘ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (ইউইএম), জয়পুর’। শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানটি দেশ ও বিদেশে সমানভাবে প্রশংসিত।

‘টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৫’-এ স্থান করে নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এছাড়া, শিক্ষা মন্ত্রকের আইআইসি র‍্যাঙ্কিং-এ উত্তর ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ইউইএম জয়পুর’। গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠান উচ্চশিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ‘ইউইএম জয়পুর’ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ‘বিআইটিএস পিলানি’-র পর রাজস্থানের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটি ২০২৬ সালে ভারতের প্রথম 6G ল্যাব স্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

গবেষণা ও উদ্ভাবনেও বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে। গত তিন বছরে ভারত সরকারের থেকে সর্বাধিক পেটেন্ট পাওয়া রাজস্থানের প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে এটি শীর্ষস্থানে রয়েছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩০-রও বেশি পেটেন্ট প্রকাশিত হয়েছে, রয়েছে ৩টি অনুমোদিত পেটেন্ট এবং ১৫০-রও বেশি ডিজ়াইন পেটেন্ট। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য ১.৫ কোটিরও বেশি টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

আধুনিক গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে সুপার কম্পিউটার ল্যাব এবং প্রতিটি বিভাগের জন্য জিপিইউ-ভিত্তিক গবেষণার সুবিধা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষকরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছেন।

চাকরির সুযোগের ক্ষেত্রেও ‘ইউইএম জয়পুর’ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা। এখানকার ১০০ শতাংশ শিক্ষার্থী অন্তত একটি করে চাকরির প্রস্তাব পান এবং প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী দু’টি করে চাকরির প্রস্তাব পান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ বার্ষিক বেতন প্যাকেজ ৭২ লক্ষ টাকা, যেখানে গড় বার্ষিক বেতন প্রায় ৬ লক্ষ টাকা।

শিল্পক্ষেত্রের বর্তমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে ইউইএম জয়পুর-এর পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ৬০০-রও বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা রয়েছে, ফলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

এছাড়া ‘কৃতি টেকনোলজিস’ এবং ‘আরএএমএস ক্রিয়েটিভ’-এর মতো সংস্থার সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে আধুনিক ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীরা এআর-ভিআর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রিয়াক্ট জেএস-এর মতো নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে শিখতে পারে, যা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং চাকরির বাজারে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করে।

বিশ্বমঞ্চেও ‘ইউইএম জয়পুর’ নিজের সাফল্যের ছাপ রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ‘টিএইচই সাস্টেনিবিলিটি ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিংস ২০২৫’-এ স্থান পেয়েছে, যা উন্নয়ন ও সামাজিক দায়িত্ববোধের ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।

প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠানটি ১০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে, যার মধ্যে কিছু বিদেশেও অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ‘স্টাডি অ্যাবরড প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পায়।

শুধু তাই নয়। শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত করতে হার্ভার্ড এবং এমআইটি-এর মতো বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শিক্ষাসংক্রান্ত রিসোর্স ও লাইসেন্সও বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এর ফলে তারা বিশ্বমানের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়।

বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:

https://l1nq.com/ombj92q

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন