দু’দিন পরে ব্যাঙ্ক থেকে সাপ্তাহিক টাকা তোলার ঊর্ধ্বসীমা (২৪ হাজার) উঠুক বা না-উঠুক, তা খুব একটা ফারাক গড়বে না ব্যাঙ্ককর্মীদের কাছে। কারণ সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না-হলে গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়তে হবে তাঁদের।
গোড়া থেকে কেন্দ্র বা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, উভয়ের দাবি নগদের জোগান যথেষ্টই। তবে তা মানতে নারাজ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ফেজারেশন অব ইন্ডিয়ার (বেফি) সাধারাণ সম্পাদক প্রদীপ বিশ্বাসের দাবি, নগদের অভাবে এখনও বহু জায়গাতেই গ্রাহকদের ওই ঊর্ধ্বসীমার পুরো টাকা দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘‘ওই সীমা প্রত্যাহারের বিরোধী নই। কিন্তু আগে নগদের জোগান স্বাভাবিক করতে হবে। নোট বাতিলের ঘোষণার পরে ৫০ দিনে প্রায় ৬০টি নির্দেশিকা বেরিয়েছে। অনেকগুলি আবার পরস্পর বিরোধী। ফলে সে সবের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে মানসিক চাপ পড়ছে কর্মীদের উপর। ন’জনের মৃত্যুও হয়েছে।’’ পর্যাপ্ত নগদের জোগান নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বিবৃতি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে বেফি।