Natural Gas

গ্যাসের জোগান ও সরবরাহ নিয়ে কড়া নির্দেশ তুলে নিল কেন্দ্র

সম্প্রতি তেল মন্ত্রক জানিয়েছে, মার্চে চালু হওয়া ‘প্রাকৃতিক গ্যাস (সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ) নির্দেশ, ২০২৬’-এর জরুরি ধারাগুলি বাতিল করা হয়েছে। ফলে দেশে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত এলএনজি এখন অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলির নতুন তালিকা অনুযায়ী বিক্রি করা হবে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৬:২২
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে গ্যাসের জোগানে নানা কড়াকড়ি করেছিল কেন্দ্র। যুদ্ধ পরিস্থিতি আগের তুলনায় স্থিতিশীল হওয়ায় এবং হরমুজ় প্রণালী দিয়ে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও জ্বালানি সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পরে এ বার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে আরোপিত জরুরি বিধিনিষেধগুলি প্রত্যাহার করল সরকার।

সম্প্রতি তেল মন্ত্রক জানিয়েছে, মার্চে চালু হওয়া ‘প্রাকৃতিক গ্যাস (সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ) নির্দেশ, ২০২৬’-এর জরুরি ধারাগুলি বাতিল করা হয়েছে। ফলে দেশে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত এলএনজি এখন অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলির নতুন তালিকা অনুযায়ী বিক্রি করা হবে। এত দিন সার-সহ শিল্পের গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে গৃহস্থ, আতিথেয়তার মতো ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। এখন থেকে সেই বিধিনিষেধ উঠে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ আগের স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শিল্প এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে তার স্বাভাবিক জোগান চালু করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সরকার যে নির্দেশিকা জারি করে গৃহস্থালি, গাড়ির মতো ক্ষেত্রে গ্যাস মজুতে কড়াকড়ি করেছিল, তা-ও প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি, পেট্রো-রসায়ন ক্ষেত্রের কাঁচামাল সরিয়ে এলপিজি উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে শোধনাগারগুলিকে নির্দেশ দেওয়া এবং পাইকারি গ্রাহকদের কাছে বেশি ডিজ়েল বিক্রি নিয়ন্ত্রণও তোলা হয়েছে। সরকারের দাবি, হরমুজ় স্বাভাবিক হয়ে পশ্চিম এশিয়া থেকে গ্যাসবাহিত জাহাজ চলাচল পুরোদমে শুরু হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

অশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৮৮% এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদার প্রায় অর্ধেকই আমদানি করে ভারত। দেশের তেল আমদানির প্রায় ৪০%-৪৫% এবং এলএনজি সরবরাহের প্রায় ৬৫ শতাংশই আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের হামলা এবং তার জবাবে তেহরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে হরমুজ় বন্ধ হওয়ায় তেল-গ্যাসের সরবরাহ ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। তার পরেই ৯ই মার্চ অ্যাবশ্যক পণ্য আইনের অধীনে জ্বালানি সরবরাহে কড়াকড়ি করেছিল সরকার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন