— প্রতীকী চিত্র।
এখন শুধু স্মার্টফোনে নগদহীন লেনদেন করা যায় ভীম অ্যাপের মাধ্যমে। ওই নেট ভিত্তিক বা ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা এ বার চালু হতে চলেছে সাধারণ ছোট মোবাইল ফোনেও (ফিচার ফোন)। এগুলিতে এই ইউপিআই লেনদেন ব্যবস্থা বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে ভীম পেমেন্টস অ্যাপ। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, কম দামি সাধারণ ফিচার ফোনগুলিকে মূলত কথা বলা বা এসএমএস পাঠানোর মতো ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানোর মাধ্যম বলে মনে করা হয়। দেশের প্রান্তিক মানুষদের একাংশও ফিচার ফোনই ব্যবহার করেন। এগুলিতে ভীম মারফত ডিজিটাল লেনদেন করা গেলে সমাজের এক বৃহত্তর অংশকে লেনদেনের নগদহীন ব্যবস্থায় শামিল করা যাবে।
বুধবার ভীম অ্যাপের মূল সংস্থা এনপিসিআই ভীম সার্ভিসেস-এর এমডি-সিইও ললিতা নটরাজ জানান, এই অ্যাপ ছোট ফিচার ফোনে চালুর লক্ষ্যে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। রিলায়্যান্স জিয়ো-সহ দু’তিনটি মোবাইল ফোন নির্মাতার সঙ্গে কথাও এগিয়েছে। সামগ্রিক কাজ চলছে। তবে চালুর সময়সীমা বলেননি তিনি। ইঙ্গিত, এক-দেড় বছর লেগে যেতে পারে।
ললিতা জানান, দেশে ইউপিআই লেনদেনের মাত্র ১% এবং রাজ্যের ২% অংশীদারি তাদের হাতে। লক্ষ্য, দু’বছরের মধ্যে দেশে মোট ইউপিআই লেনদেনের ২% ভীমের দখলে নেওয়া। দেশে গত এক বছরে ভীম ব্যবহারের বৃদ্ধি ছুঁয়েছে ৩০১%। পশ্চিমবঙ্গে তা প্রায় ২৯০%। ললিতার দাবি, এনপিসিআই-এর নিয়ন্ত্রিত এই অনলাইন লেনদেনের অ্যাপ মূলত আনা হয়েছে সর্বস্তরের মানুষকে সুবিধা দিতেই। প্রতিদিন বহু নতুন নতুন গ্রাহক ভীম অ্যাপ ব্যবহার করছেন।
এনপিসিআই জানাচ্ছে, প্রথমে ভীম পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করা হয়েছিল। ২০২৪ থেকে তা পুরোদমে ইউপিআই অ্যাপ হিসেবে চালু হয়। স্মার্টফোনের মাধ্যমে ভারত-সহ আটটি দেশে যা ব্যবহার করা যায়। ললিতা বলছেন, ‘‘দেশের প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবেই এই সুবিধা ফিচার ফোনে আনার ভাবনা।’’ তথ্য বলছে, ভীম মারফত এপ্রিলে প্রায় ২২.৫ কোটি লেনদেন হয়েছে, টাকার অঙ্কে প্রায়২৬ হাজার কোটি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে