মার্কো রুবিয়ো। — ফাইল চিত্র।
২০১২ সালের মে মাস। ভারত সফরের সময়ে কলকাতায় এসেছিলেন তৎকালীন আমেরিকান বিদেশসচিব হিলারি ক্লিন্টন। বৈঠক করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তার পরে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে কলকাতামুখী হতে দেখা যায়নি কোনও আমেরিকান বিদেশসচিবকে। পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক পালাবদলের পরে এ বার কলকাতায় ফের আসার কথা আমেরিকান বিদেশসচিব। চলতি মাসের শেষ দিকে ভারত সফরে আসবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো। সেই সফরের অন্যতম গন্তব্য হতে চলেছে কলকাতা। সূত্রের খবর, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্টডোনাল্ড ট্রাম্প।
২৩ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত ভারত সফর করবেন রুবিয়ো। আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বর্ষপূর্তি হতে চলেছে চলতি বছরে। আমেরিকান দূতাবাসের তরফে প্রচারিত বার্তায় রুবিয়োকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘আমেরিকা স্বাধীনতার ২৫০ বর্ষপূর্তি উদ্যাপন করতে চলেছে। আমরা আমাদের ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে তা উদ্যাপন করতে চাই। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। আমরা প্রাচীনতম।’’ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি কোয়াড গোষ্ঠীর বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকেও যোগ দেবেন তিনি।
সূত্রের খবর, দিল্লির ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেই এক দিন কলকাতায় আসার পরিকল্পনা রয়েছে রুবিয়োর। তবে শহরে তাঁর নির্দিষ্ট কর্মসূচি কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই রুবিয়োর কলকাতা সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে মত সংশ্লিষ্ট সব শিবিরের। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গে লগ্নির পথ প্রশস্ত হবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।
কূটনৈতিক শিবিরের মতে, কৌশলগত ভাবেও কলকাতা আমেরিকার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় চিন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের পরিস্থিতির উপরেও কড়া নজর রাখছে আমেরিকা। ফলে এই অঞ্চলে কলকাতা আমেরিকার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে