— প্রতীকী চিত্র।
বাজেটে দেশের শহরগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। শনিবার এ জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল (আর্বান চ্যালেঞ্জ ফান্ড) তৈরিতে সায় দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সরকার চায়, শুধু অনুদানে ভরসা না করে শহরগুলির উন্নতির জন্য এমন পদক্ষেপ করা হোক যার তহবিল আসবে বাজার থেকে, নজর থাকবে সংস্কারে এবং লক্ষ্য হবে কী ভাবে উন্নয়ন সকলের কাছে পৌঁছনো যায়।
শনিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের ২৫% খরচ এই তহবিল থেকে জোগাবে সরকার। শর্ত হল, ব্যয়ের অন্তত ৫০% বাজার থেকে তুলতে হবে। তা মিউনিসিপ্যাল বন্ড, সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ, ব্যাঙ্ক ঋণও হতে পারে। বাকিটা রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, স্থানীয় প্রশসান বা অন্য কোনও সূত্র থেকে আসতে পারে। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানীগুলিকে তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। শহর বাছাইয়ে রয়েছে জনসংখ্যার শর্তও। ২০২৫-২৬ থেকে ২০৩০-৩১ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যকর থাকবে। তা আরও দু’বছর বাড়ানো হতে পারে।
পাশাপাশি, উত্তর-পূর্ব ও পাহাড়ি রাজ্যগুলির ছোট শহরের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্রেডিট রিপেমেন্ট গ্যারান্টি স্কিমের সুবিধাও মিলবে। এর আওতায় প্রথম ঋণ নিলে ৭ কোটি টাকা বা প্রকল্পের খরচের ৭০% পর্যন্ত (যেটা কম হবে) কেন্দ্র গ্যারান্টি দেবে। মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৫০০০ কোটি টাকা।
সরকারের দাবি, আর্থিক, সামাজিক ও পরিবেশের দিক থেকে যে সমস্ত প্রকল্প নগোরন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে, সেগুলিকেই তহবিলের যোগ্য হিসেবে বাছা হবে। দেখা হবে কাজ তৈরি, সুরক্ষা বৃদ্ধি, পরিষেবা ও স্বচ্ছতার মতো বিষয়গুলিও। কেন্দ্রের মতে, দেশের শহরগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে পাঁচ বছরে ৪ লক্ষ কোটি টাকার লগ্নি টেনে আনতে সাহায্য করবে এই প্রকল্প। এতে শহর পরিচালন ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে, ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য রেখে পরিকাঠামো গড়া সম্ভব হবে বলে ধারণা তাদের।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে