Foreign Exchange

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে কঠিন হচ্ছে বিদেশি মুদ্রার লেনদেনে ভারসাম্য রাখা, দাবি আর্থিক উপদেষ্টার

অনন্তের মতে, ৮৭% অশোধিত তেল আমদানি করে দেশ। যার ৪৬% আসে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে। আমদানি হয় ৬০% তরল গ্যাস (এলপিজি)। ৯০% আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। অনাবাসীদের দেশে পাঠানো টাকার ৩৮ শতাংশের উৎস ওই অঞ্চল।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ০৭:৫৩
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট ভারতের বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ভারসাম্যকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন। তবে এই ঘটনা উন্নয়নশীল দেশগুলির সামনে সুযোগ তৈরি করছে জানিয়ে তাঁর সতর্কবার্তা, উন্নত দুনিয়া বাধা ছাড়া ভারতকে এগোনোর সুযোগ করে দেবে, সেটা না ভাবাই ভাল। তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে তৈরি করবে নীতি। এই অবস্থায় দেশে সংস্কারের ধারা বজায় থাকবে জানিয়ে শিল্পমহলকে গবেষণা-উন্নয়নে লগ্নি বাড়ানোর বার্তা দিয়েছে নীতি আয়োগ। একই কারণে তাদের দক্ষতা বাড়াতে এবং বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ নিয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালও।

অনন্তের মতে, ৮৭% অশোধিত তেল আমদানি করে দেশ। যার ৪৬% আসে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে। আমদানি হয় ৬০% তরল গ্যাস (এলপিজি)। ৯০% আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। অনাবাসীদের দেশে পাঠানো টাকার ৩৮ শতাংশের উৎস ওই অঞ্চল। তাঁর
মতে, ‘‘এটাই প্রমাণ করে এই সঙ্কট কূটনৈতিক কারণে তৈরি হওয়া আর্থিক অনিশ্চয়তা নয়। বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখার পরীক্ষা। যার প্রভাব পড়ছে মূল্যবৃদ্ধি, চলতি খাতে ঘাটতি ও টাকার দামে।’’

তবে তিনি বলছেন, আশার কথা হল আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষায় জোর, পরিকাঠামোয় লগ্নি ও বিভিন্ন সংস্কারের ফলে ভাল জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারত। এখন এই ঘাটতিকে বাগে রেখে টাকার পতন রোখা চলতি অর্থবর্ষের লক্ষ্য হওয়া উচিত। যদিও শিল্পপতি উদয় কোটাকের বক্তব্য, যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দামের পুরো প্রভাব দেশের মানুষের উপরে এখনও পড়েনি। যুদ্ধ না থামলে তা বড় আকারেই পড়বে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন