বণিকসভা সিআইআই। —ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক সঙ্কট থেকে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে বৃদ্ধির চাকায় গতি আনার জন্য খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের সমস্যাকে একটি আর্থিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখে লড়াইয়ে নামার পরামর্শ দিল বণিকসভা সিআইআই। জানাল, এই তিনটি ক্ষেত্রকে একত্রিত করে একটি কৌশল স্থির করতে হবে। যাতে কৃষক এবং ক্রেতা পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধজনিত ধাক্কার হাত থেকে বাঁচতে পারেন। আবার একই সঙ্গে দেশের অগ্রগতিও নিশ্চিত হয়।
বণিকসভার পক্ষে চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, জ্বালানির উপর নির্ভর করে সার, আর সারের উপর নির্ভর করে খাদ্যপণ্য উৎপাদন। ফলে এই তিনটি জিনিসকে আলাদা করে দেখা উচিত নয়। বরং সামগ্রিক ভাবে সেগুলিকে একটি সমস্যা হিসেবে দেখে পদক্ষেপ করলে আখেরে অর্থনীতি লাভবান হবে। কারণ এর উপরেই প্রতিটি পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি, খরচের মাত্রা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির বৃদ্ধি জড়িয়ে রয়েছে।
তথ্য বলছে, ভারত তার জ্বালানির ৮৮%, সার হিসেবে ফসফেটের ৯০% এবং ইউরিয়ার ২৫% আমদানি করে। আর এই ক্ষেত্রে হরমুজ় প্রণালী তথা পশ্চিম এশিয়ার প্রভাব অপরিসীম। ফলে সেখানে সমস্যা দেখা দেওয়ায় দেশের বাজার বিপাকে পড়বেই। তাই বাইরের ধাক্কা থেকে বাঁচতে দেশেই একটি রক্ষাকবচ তৈরি করতে হবে, জানান চন্দ্রজিৎ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার যে ভাবে পদক্ষেপ করেছে, তাতে দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব সবচেয়ে কম পড়েছে। জ্বালানির অর্থাৎ তেল-গ্যাসের দাম এ দেশের বাজারে এই সময় যেটুকু বেড়েছে, তা বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় অনেকটাই কম। সিআইআই মনে করছে আগামী দিনেও সরকার দেশের অর্থনীতির স্বার্থে যথাযথ পদক্ষেপ করবে, যাতে যুদ্ধের আঘাত সহ্য করা অনেক সহজ হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে