ভারতীয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। ফাইল চিত্র।
স্বেচ্ছায় ঋণখেলাপির নাম, অনুৎপাদক সম্পদের তথ্য, নজরদারির খতিয়ান প্রকাশ করা নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক ও চারটি ব্যাঙ্কের মধ্যে। যাদের মধ্যে রয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অব বরোদা, আরবিএল ব্যাঙ্ক এবং ইয়েস ব্যাঙ্ক। শীর্ষ ব্যাঙ্কের নির্দেশ অনুসারে, তথ্যের অধিকার আইনে এই সমস্ত তথ্য প্রকাশ করার কথা। এ জন্য ব্যাঙ্কগুলির মত চেয়েছিল আরবিআই। যদিও তা প্রকাশে রাজি নয় ওই চার ব্যাঙ্ক। তাদের দাবি, এতে ব্যাঙ্কগুলির বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে এ বার কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনে (সিআইসি) গিয়েছে তারা।
তথ্যের অধিকার আইনে একাধিক আবেদনকারীর দাবি ছিল, ১০০টি বড় অনুৎপাদক সম্পদের অ্যাকাউন্ট, ইয়েস ব্যাঙ্কের স্বেচ্ছাখেলাপিদের নাম, স্টেট ব্যাঙ্ক ও আরবিএল ব্যাঙ্কের নজরদারির তথ্য প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি, নজরদারির পরে ব্যাঙ্ক অব বরোদার করা ৪.৩৪ কোটি টাকার জরিমানার নথিও চান তাঁরা। এই সব তথ্য প্রকাশ হতে পারে, তা জানার পরেই সিআইসি-তে গিয়েছে ব্যাঙ্কগুলি। তথ্য কমিশনার খুশবন্ত সিংহ শেঠি বিষয়টি সিআইসি-র বড় বেঞ্চে পাঠিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অনুৎপাদক সম্পদ, জরিমানা বা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা আগেও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। ব্যাঙ্কিংয়ে স্বচ্ছতা, আমানতকারীর অধিকার ও নিয়ন্ত্রকের দায়বদ্ধতার উপরে তাই সিআইসি-র নির্দেশের প্রভাব পড়বে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে