Consumer Goods

দাম নিয়ন্ত্রণে রেখে চাহিদা বৃদ্ধি, সরকারের কাছে আর্জি ভোগ্যপণ্য সংস্থাগুলির

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ রোজগেরে মানুষেরা ছোট বা কম ওজনের প্যাকেট কিনতে শুরু করেছিলেন বেশ কিছু দিন আগেই। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই ধরনের পণ্যে ২-৩ টাকা বৃদ্ধিও মধ্যবিত্তের উপর প্রভাব ফেলে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৬
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

সামনে সাধারণ বাজেট। ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য সেই দিকেই তাকিয়ে ভোগ্যপণ্য সংস্থাগুলি। সরকারের কাছে তাদের আর্জি, এমন কিছু পদক্ষেপ করা হোক যাতে দাম নিয়ন্ত্রণে রেখেও বিক্রিবাটা আরও বাড়ানো যায়। সে জন্য পণ্য উৎপাদনে জোর, পরিকাঠামোকে পোক্ত করা এবং জোগান-শৃঙ্খলে উন্নতির পক্ষে সওয়াল করেছে তারা। ‘ইন্ডিয়া ব্র্যান্ড ইকুইটি ফাউন্ডেশন’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি, ২০২৫-এর এপ্রিলে দেশের প্রতিটি পরিবারে ভোগ্যপণ্যের পিছনে খরচ বেড়েছে। পরিবার প্রতি বার্ষিক খরচ ৮% বেড়ে হয়েছে ১৭,৭৯২ টাকা। সংস্থাগুলির দাবি, আগামী অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কতটা হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্তের উপর।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ রোজগেরে মানুষেরা ছোট বা কম ওজনের প্যাকেট কিনতে শুরু করেছিলেন বেশ কিছু দিন আগেই। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই ধরনের পণ্যে ২-৩ টাকা বৃদ্ধিও মধ্যবিত্তের উপর প্রভাব ফেলে। এটা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত কেন্দ্রের। গোদরেজ কনজিওমার্স প্রোডাক্টস-এর এমডি-সিইও সুধীর সীতাপতির কথায়, ‘‘চাহিদাবাড়ানোর পদক্ষেপ জরুরি। তা জিএসটির হার সংশোধনের মাধ্যমেও করা যেতে পারে। এখনও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পণ্যে ১৮% পর্যন্ত কর বসছে। এই হার কমালে দাম কমবে এবং চাহিদা বাড়বে। বিশেষজ্ঞ সংস্থা নিয়েলসন জানাচ্ছে, অনলাইন বাজারের হাত ধরে ভোগ্যপণ্যের বাজার দেশে দ্রুত বাড়ছে। তাই চাহিদা বৃদ্ধির পরিসর রয়েছে, যা সরকার বাস্তবায়িত করতে পারে।

পরাগ মিল্ক ফুডের ইডি অকসালি শাহ বলেন, ‘‘গত বছর জিএসটি-র হার ছাঁটাই বিক্রি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। গ্রামে তা আরও বাড়াতে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে।’’ অন্নপূর্ণা গোষ্ঠীর এমডি সুবীর ঘোষের মতে, পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘ মেয়াদে কী উপযোগী হতে পারে, তা খুঁজে বার করা প্রয়োজন। মিল্কি মিস্ট ডেয়ারির সিইও কে রত্নাম জোর দিয়েছেন দুধ বা তার থেকে তৈরি পণ্যের জন্য হিমঘরের পরিকাঠামো এবং জোগানশৃঙ্খলকে আরও জোরদার করায়। গণেশ কনজিওমার্সের এমডি মণীশ মিমানি বলেন, ‘‘কৃষিজাত পণ্যে ভর্তুকি বাড়লে দাম কমবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন