— প্রতীকী চিত্র।
বিদেশি মুদ্রা পরিচালন আইন (ফেমা) ভাঙার অভিযোগে বেদান্তের বিভিন্ন দফতরে তল্লাশি চালাল ইডি। তাদের কর্তারা অনিল আগরওয়ালের গোষ্ঠীর দিল্লি, মুম্বই এবং রাজস্থানের উদয়পুরের অফিসে হানা দেন। ২০২৩ সালে ব্র্যান্ড ফি বাবদ লন্ডনভিত্তিক বেদান্তকে তাদেরই শাখা বেদান্ত রিসোর্সেস যে টাকা দিয়েছিল, তা রয়েছে আতসকাচের তলায়। মূলত খনন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীটির গঠনও খতিয়ে দেখছে তারা। যদিও এই তল্লাশি নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ দেগে কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনতের বক্তব্য, কয়েক দিন আগেই দেউলিয়া আইনে জেপি অ্যাসোসিয়েটসের সম্পত্তি কেনাকে ঘিরে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিল বেদান্ত। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। তার পরেই এই তল্লাশি চালাল ইডি। বেদান্তের মুখপাত্রের দাবি, তদন্তে সব সাহায্য করা হচ্ছে। যে যে তথ্য চাওয়া হচ্ছে, সেগুলিও দেওয়া হয়েছে। ...সংস্থা সমস্ত আইন এবং নিয়ম মেনে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে