—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
এক মাস হতে চলল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের। ক্রমশই আরও স্পষ্ট হচ্ছে এর জেরে বিশ্ব বাণিজ্যে ধাক্কা লাগার ছবিটা। ইরান হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াত বন্ধ করায় ভারতের তেল-গ্যাস আমদানি তো ধাক্কা খাচ্ছেই। কপালে ভাঁজ গভীর হচ্ছে রফতানিকারীদেরও। কারণ, ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে পণ্য পাঠাতেও এই প্রণালী ব্যবহার করে তারা। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, পণ্যবাহী জাহাজ যাচ্ছে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে। এতে যেমন জাহাজ ভাড়া ও পণ্যের বিমার খরচ বাড়ছে, তেমনই জাহাজ সংস্থাগুলি বসাচ্ছে যুদ্ধ সারচার্জ। ফলে ইউরোপে পণ্য পাঠাতে খরচ হচ্ছে ৬০%-৮০% বেশি। আবার বরাত কমেছে অর্ধেক। ফলে আতান্তরে রফতানি শিল্প।
ফিয়োর প্রাক্তন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান যোগেশ গুপ্ত বলেন, ‘‘ভাড়া তো বেড়েইছে। অনেক ক্ষেত্রে পণ্য পাঠাতে দেরি হওয়ায় বরাত বাতিল করছে ক্রেতারা। ফলে সেই পণ্য দেশে ফেরাতে হচ্ছে। সরকার তার খরচ দিতে প্রকল্প চালু করেছে ঠিকই। কিন্তু জিনিস তো বিক্রি হল না। ফলে বিপুল লোকসান হচ্ছে রফতানিকারীদের।’’ নিপা এক্সপোর্টসের কর্ণধার রাকেশ শাহেরও দাবি, গন্তব্য বিশেষে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে ৬০%-৮০%। কন্টেনার পাওয়া মুশকিল হচ্ছে।
ক্যালকাটা কাস্টমস হাউস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মন্নু চৌধরি জানাচ্ছেন, কলকাতা বন্দরে ঢোকা ৬০০টি কন্টেনারের ৪০০টি বরাত বাতিলের কারণে ফেরাতে হয়েছে। বাকিগুলিতেও সেই কাজ চলছে। পূর্ব-ভারত থেকে রফতানি হওয়া চিংড়ি, মাছের মতো পচনশীল পণ্যে সমস্যা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। বরাত বাতিল হতে থাকলে ও নতুন বরাত না এলে কী হয়, সে দিকেই নজর সকলের।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে