—প্রতীকী চিত্র।
গত জানুয়ারিতে লাগামছাড়া দৌড়ের পরে ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা হাঁফ ছেড়েছিল সোনা-রুপোর দাম। মাসের শেষ দিনে এসে এক ধাক্কায় পাল্টে গেল ছবিটা। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি সুরক্ষিত লগ্নি হিসেবে রাতারাতি দামি ধাতুগুলির চাহিদা অত্যধিক বাড়িয়ে দিল। যার ফলস্বরূপ কলকাতায় ৯৪০০ টাকা চড়ল খুচরো পাকা সোনা (২৪ ক্যারাট ১০ গ্রাম)। প্রতি কেজি খুচরো রুপো মাথা তুলল ২৩,৯০০ টাকা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, তেতে ওঠা পশ্চিম এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা দাম আরও বাড়াতে পারে। মূলত দুবাই হয়ে ইউরোপ এবং আমেরিকায় ভারত থেকে গয়না, হিরে ইত্যাদি রফতানি হয়। সমস্যায় পড়বে সেই বাণিজ্যও।
শনিবার কলকাতায় খুচরো সোনা দাঁড়িয়েছে ১,৬৯,৬৫০। জিএসটি যোগ করে ১,৭৪,৭৩৯.৫০ টাকা। গয়নার হলমার্ক সোনা (২২ ক্যারাট ১০ গ্রাম) পৌঁছেছে ১,৬১,২৫০ টাকায়। কর নিয়ে ১,৬৬,০৮৭.৫০। খুচরো রুপোর কেজি কর ছাড়া ২,৯২,৭০০ টাকা, ধরে ৩,০১,৪৮১। এর আগে ২৯ জানুয়ারি সোনা ১,৭৮,৪৫০ টাকায় উঠে নজির গড়েছিল। সে দিন রুপোও ছিল সর্বোচ্চ, ৩,৮৫,৪০০ টাকা। তার পর থেকে গত এক মাসে দাম কিছুটা কমে।
স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটির কার্যকরী সভাপতি সমর দে বলেন, ‘‘শনিবার সাধারণত বিশ্ব বাজারের একটি দর অনুযায়ী এখানকার বাজারে দাম স্থির হয়। আজ কলকাতায় প্রায় চার বার দাম বদলাতে হয়েছে। বিকেলের দিকে সোনার আউন্স পৌঁছেছিল ৫২৭৯.২০ ডলারে। অচিরেই তা ৬০০০ ডলার ছুঁতে পারে।’’ এই অবস্থায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা। সমর বলেন, ‘‘অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মতো গয়না কেনায় ব্যাঙ্কঋণ চালু করা জরুরি। অর্থমন্ত্রীর কাছে সেই আবেদন জানাব। সোনা কিনতে ইএমআই চালু হলে স্বস্তি পাবেন বহু মানুষ।’’
অল ইন্ডিয়া জেম অ্যান্ড জুয়েলারি ডোমেস্টিক কাউন্সিলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান শ্যাম মেহরার আবার বক্তব্য, সুরক্ষিত লগ্নি হিসেবে বরাবরই সোনার কদর দেখা যায়। তাই আগামী দিন সাতেক তার দামের দৌড় বহাল থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে