—প্রতীকী চিত্র।
আরও ৬৬৫০ টাকা বেড়েছে দাম। কলকাতায় ১০ গ্রাম খুচরো পাকা সোনা (২৪ ক্যারাট) বুধবার ফের নজির গড়ে পৌঁছেছে ১,৬৬,৭০০ টাকায়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এর ফলে দেশে দ্রুত বাড়ছে সোনা বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার ঝোঁক। এ দিনই এক সমীক্ষা জানিয়েছে, নভেম্বর পর্যন্ত দু’বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে স্বর্ণঋণ। ২০২৩-এর নভেম্বরের ৭.৯ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫.৬ লক্ষ কোটি। এ দিন খুচরো রুপোর কেজিও ১৮,৫৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩,৬৬,৯০০ টাকা।
স্বর্ণঋণ সংস্থা আইআইএফএল-এর পূর্ব ভারতের কর্তা এবং অ্যাসোসিয়েট বিজ়নেস হেড নিলয় ঘোষ জানান, এখন বছরে ২২%-২৩% হারে বাড়ছে স্বর্ণঋণ। সাধারণত সুদ ১১.৯৯%-২২%। তার হার নির্ভর করে ধারের অঙ্কের উপরে। তবে গয়নার মোট ওজনের সর্বোচ্চ ৭৫% পর্যন্ত যা দাম হয়, তার বেশি ঋণ মেলে না। কেউ টানা ৯০ দিন সুদ না মেটালে ঋণ অনুৎপাদক সম্পদে পরিণত হয়। পরের এক মাসেও বকেয়া সুদ না মেটালে তা নিলাম করে টাকা উসুল করতে পারে স্বর্ণঋণ সংস্থা। আগে যাঁরা ঋণ নিয়েছেন, তাঁদের অনেকে এখন অতিরিক্ত সোনা জমা না করেও বাড়তি ধার নিচ্ছেন, দাবি নিলয়ের।
আইসিএআই-এর পূর্বাঞ্চলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনির্বাণ দত্তের দাবি, স্বর্ণঋণ নেওয়ার এই ঝোঁক ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই ঋণ পাওয়া তুলনায় সহজ। তবে সুদ অন্যান্য ঋণের থেকে বেশি। যে কেউ নির্দিষ্ট পরিমাণ সোনা জমা রেখে নিতে পারেন। কিন্তু চড়া সুদ মেটাতে না পারলে সোনা বেচে সংস্থা টাকা উসুল করে। টাকা জোগাড়ের জন্য খুব বেশি সময় তিনি পাবেন না। অনির্বাণের কথায়, ‘‘এখন সোনার দাম বেশি। হঠাৎ অনেকটা পড়লে ওই ৭৫ শতাংশের হিসাবে ঋণগ্রহীতাদের অনেককে ঋণের একাংশ অবিলম্বে ফেরত দিতে বলা হতে পারে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে