— প্রতীকী চিত্র।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে অবশেষে দেশে চালু হতে চলেছে অনলাইন গেমিং-এর নতুন নিয়ম। বুধবার কেন্দ্রের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ১ মে থেকে তা কার্যকর হবে। এই নিয়মের অধীনে আলাদা নেট গেমিং কর্তৃপক্ষ তৈরির কথা বলা হয়েছে। এর আগেই নেটে টাকা বাজি রেখে গেম খেলার উপরে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। আজ তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন জানান, তার বাইরে বাকি খেলাগুলিকে বাধ্যতামূলক ভাবে নথিভুক্ত হতে হবে না। নজরদারিও চালানো হবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে। তবে যে সমস্ত ক্ষেত্রে অনলাইন খেলার টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয় বা একাধিক খেলোয়াড় মিলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে খেলেন (ইস্পোর্টস), সেগুলির ক্ষেত্রে পেরেন্ট অ্যাক্টের অধীনে সব গেম সংস্থাকেই নথিভুক্ত হতে হবে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন গেমিংয়ে টাকা দিয়ে জুয়া খেলা অনেকের কাছেই নেশায় পরিণত হচ্ছিল। বহু মানুষ সারা জীবনের সঞ্চয় খোয়াচ্ছিলেন। হচ্ছিল প্রতারণা। এই অবস্থায় প্রথমে এই ধরনের খেলার উপরে সর্বোচ্চ হারে জিএসটি চাপায় কেন্দ্র। বাজির পুরো টাকায় কর হিসাব শুরু হয়। আর গত বছর টাকা দিয়ে অনলাইন গেমিংকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে আসে আইন। যা ভেঙে নেটে টাকা বাজি রেখে খেলা চালালে ‘জামিন অযোগ্য’ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করা হয়।
আজ সচিবের দাবি, দেশে অনলাইন গেমিং-এ প্রসারের কথা মাথায় রেখে যথেষ্ট সহজ সরল নিয়ম আনা হয়েছে। কোনও নিয়মই জোর করে চাপানো হয়নি। তবে তিনটি ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। কৃষ্ণন জানান, প্রথমত, কোনও খেলাকে অনলাইন সোশ্যাল গেমিং (বিনোদনের জন্য খেলা) বলা হবে নাকি অনলাইন মানি গেম (টাকা দিয়ে খেলা) অথবা ইস্পোর্টস, সেটা ঠিক করতে পারেন নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্বিতীয়ত, যে খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, সেটি ইস্পোর্টস শ্রেণির কি না, তা দেখা হবে। তৃতীয়ত, কেন্দ্র চাইলে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণিতে বিনোদনমূলক গেমিংকে নিয়ে আসার।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে