—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভারতে কাজের বাজারের ছবিটা এতটাই পাল্টাচ্ছে যে, শুধু অফিসের চাকরি বা হোয়াইট-কলার কাজেই বেশি বেতন মিলবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ, সমীক্ষা জানাচ্ছে এই ধরনের কাজে নীচু স্তরে কর্মীদের বেতন যে হারে বাড়ছে, তার থেকে বেশি হারে বাড়ছে কায়িক শ্রম নির্ভর (ব্লু কলার) কর্মীদের মাইনে। টাকার অঙ্কেও তাঁদের আয়ের মধ্যে কমছে তফাত।
ওয়ার্কইন্ডিয়া-এর সমীক্ষা বলছে, ২০২৪ সালের ১৪,০৫৬ টাকা থেকে গত বছর ব্লু কলার কর্মীদের ন্যূনতম গড় বেতন দাঁড়িয়েছে ১৫,২৬৫ টাকা। বৃদ্ধির হার ৮.৬০%। বেশ কিছু অফিসের চাকরির ক্ষেত্রে যা ৬.৭৫%। গত বছরে ২০২৪ সালের ১৪,৭৬০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫,৭৫৬ টাকা। মূলত অনলাইন পণ্য ডেলিভারি, অ্যাপ ক্যাব চালক, পণ্য পরিবহণ ও নির্মাণের মতো কাজে কর্মীদের চাহিদা বৃদ্ধিই এর কারণ বলে উঠে এসেছে।
তার উপরে পুরুষ কর্মীদের ন্যূনতম গড় বেতন যেখানে ৮.২৪% হারে বেড়েছে, সেখানে একই কাজে মেয়েদের মাইনে বেড়েছে ৫.৬৭%। গত বছর ছেলেরা গড়ে মাসে ১৬,৪৫৬ টাকা আয় করেছেন। মেয়েরা ১৩,৮৬৩ টাকা। ওয়ার্কইন্ডিয়া-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা নীলেশ ডুঙ্গারওয়াল বলেন, ‘‘কর্মসংস্থানে এগোতে লিঙ্গ বৈষম্য ও দক্ষতার অভাব দূর করা জরুরি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে