ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিকোলাস মাদুরোকে। ফাইল চিত্র।
ভেনেজ়ুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে শুধু মাত্র বেআইনি ভাবে সে দেশ থেকে অপহরণ করাই নয়, আমেরিকার মাটিতে তাঁদের বিচার প্রক্রিয়াও যত দূর সম্ভব ভেস্তে দিতে সক্রিয় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগে অভিযোগ উঠেছিল, অপহরণ করে আমেরিকায় নিয়ে আসার পর থেকে নানা রকম দুর্ব্যবহার করা ছাড়াও কার্যত কোনও বিচার ছাড়াই গত দু’মাস ধরে চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, প্রায় বদ্ধ কামরায় দিনভর আটকে রাখা হয়েছে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে। একই সঙ্গে তাঁদের আইনি পথও জটিল করতে সক্রিয় ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার আদালতে ফেডারেল বিচারকের সামনে তোলা হয় মাদুরো ও সিলিয়াকে। সূত্রের খবর, বিচারককে মাদুরো বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, আমেরিকা সরকার তাঁর বিরুদ্ধে আনা মাদক-সন্ত্রাস সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করছে। তা ছাড়াআন্তর্জাতিক আইনের যুক্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প সরকারের করা মামলা খারিজ করা উচিত।
মাদুরোর সমস্যা বাড়িয়ে তাঁর আইনজীবী ব্যারি পোলাক জানিয়েছেন যে, আমেরিকা সরকার যদি ভেনেজ়ুয়েলা সরকারকে মাদুরো এবং সিলিয়ার আইনি ফি পরিশোধের অনুমতি না দেয়, তবে তিনি মামলা থেকে সরে দাঁড়াবেন। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মাদুরোর জন্য এই লড়াই যতটা কঠিন করা সম্ভব, ট্রাম্প প্রশাসন তাই করছে। তা ছাড়া আমেরিকার বিচার বিভাগও যে ভাবে কাজ করছে, তা নিয়ে আইনজীবীরা ক্ষুব্ধ। আমেরিকার বিচারব্যবস্থাকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলেও আঙুল তুলেছেন অনেকে। ফৌজদারি মামলা চালানোর জন্য ভেনেজ়ুয়েলার অর্থ ব্যবহারের অধিকার মাদুরোর নেই বলে জানাতে পারে আদালত। এই অবস্থায় পোলাক সরে দাঁড়ালে আদালত-নিযুক্ত একজন আইনজীবী মাদুরো ও সিলিয়া পেতে পারেন। যদিও সূত্রের খবর, সেই আইনজীবীর আন্তর্জাতিক এবং নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আইন সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই! সংবাদসংস্থা
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে