আইডিএফসি ব্যাঙ্ক, শ্রীরাম ক্যাপিটাল মেশার ইঙ্গিত

শনিবার দুই সংস্থার পরিচালন পর্ষদই এ নিয়ে বৈঠক করে। পরে, শ্রীরাম ক্যাপিটালের চেয়ারম্যান অজয় পিরামল বলেন, ‘‘এই সংযুক্তির সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার জন্য সংস্থার পরিচালকদের ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তার পরে শেয়ার বিনিময়ের অনুপাত নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’’

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৯ জুলাই ২০১৭ ০২:২৯
Share:

পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার প্রস্তাব খতিয়ে দেখতে রাজি হল আইডিএফসি ব্যাঙ্ক এবং শ্রীরাম গোষ্ঠীর হোল্ডিং সংস্থা শ্রীরাম ক্যাপিটাল। তারা সত্যিই মিশলে জন্ম নেবে দেশের অন্যতম বড় রিটেল ব্যাঙ্ক, যার মূল্যায়ন দাঁড়াবে ৬৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

Advertisement

শনিবার দুই সংস্থার পরিচালন পর্ষদই এ নিয়ে বৈঠক করে। পরে, শ্রীরাম ক্যাপিটালের চেয়ারম্যান অজয় পিরামল বলেন, ‘‘এই সংযুক্তির সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার জন্য সংস্থার পরিচালকদের ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তার পরে শেয়ার বিনিময়ের অনুপাত নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’’

পিরামল জানিয়েছেন, সংযুক্তির পরে শ্রীরাম ট্রান্সপোর্ট ক্যাপিটাল শুধুমাত্র আলাদা সংস্থা হিসেবে গণ্য হবে। তবে শ্রীরাম সিটি ইউনিয়ন-সহ শ্রীরাম গোষ্ঠীর বাকি সমস্ত সংস্থা মিশে যাবে ব্যাঙ্কের সঙ্গে। আইডিএফসি ব্যাঙ্কের কর্ণধার রাজীব লালের মতে, সংশ্লিষ্ট সব অনুমোদন ঠিকঠাক পাওয়া গেলে, ১ বছরের মধ্যে (৯০ দিন বাদ দিয়ে হিসেব করে) প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে।

Advertisement

২০১৫ সালে ব্যাঙ্কিং কর্মকাণ্ড শুরু করেছিল আইডিএফসি ব্যাঙ্ক। লাইসেন্স পাওয়ার পরেই মূল সংস্থা আইডিএফসির সব পরিকাঠামো ও সম্পত্তি নিজেদের হাতে নেয় তারা। শ্রীরাম ক্যাপিটালের ঋণদান ব্যবসার আওতায় নথিভুক্ত শ্রীরাম ট্রান্সপোর্ট ফিনান্স ও শ্রীরাম সিটি ইউনিয়ন ফিনান্স। গোষ্ঠীর অ-নথিভুক্ত জীবন ও সাধারণ বিমা ব্যবসাও মিশতে পারে আইডিএফসি-র সঙ্গে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement