Share Market

প্রধানমন্ত্রীর এক ‘পরামর্শে’ তলিয়ে গেল টাকা, বড় পতন শেয়ারবাজারেও

বাজার মহলের বক্তব্য, শান্তি প্রস্তাব নিয়ে সমঝোতা হয়নি ইরান-আমেরিকার। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় এখনই যুদ্ধ থামছে না। তার উপর নাগরিকদের সোনা, ভোজ্যতেল, ভোগ্যপণ্য এবং পেট্রল-ডিজ়েলে খরচ কমাতে বলে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তা উস্কে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ০৭:৩৮
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট বহাল থাকার ইঙ্গিত এবং প্রধানমন্ত্রীর খরচে রাশ টানার বার্তায় ধাক্কা খেল শেয়ার বাজার। সোমবার সেনসেক্স ১৩১২.৯১ পয়েন্ট নেমে থামল ৭৬,০১৫.২৮ অঙ্কে। নিফ্‌টি ৩৬০.৩০ পড়ে হল ২৩,৮১৫.৮৫। গত বৃহস্পতিবার থেকে টানা তিনটি লেনদেনে সূচক দু’টি কমেছে যথাক্রমে প্রায় ১৯৫০ এবং ৫১৫ পয়েন্ট। পাশাপাশি, ডলারের সাপেক্ষে ফের নজিরবিহীন তলানিতে নামল টাকার দাম। ডলার একলাফে ৭৯ পয়সা উঠে হয়েছে ৯৫.২৮ টাকা। এর আগে কখনও এতটা নীচে
নামেনি টাকা।

বাজার মহলের বক্তব্য, শান্তি প্রস্তাব নিয়ে সমঝোতা হয়নি ইরান-আমেরিকার। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় এখনই যুদ্ধ থামছে না। তার উপর নাগরিকদের সোনা, ভোজ্যতেল, ভোগ্যপণ্য এবং পেট্রল-ডিজ়েলে খরচ কমাতে বলে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তা উস্কে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষজ্ঞদের মতে, এরই প্রভাব পড়েছে শেয়ার এবং টাকায়। বিদেশি লগ্নি সংস্থাগুলি বেচেছে ৮৪৩৭.৫৬ কোটি টাকার শেয়ার।

আইসিএআই-এর পূর্বাঞ্চলের প্রাক্তন কর্তা অনির্বাণ দত্ত বলেন, ‘‘হরমুজ় খোলেনি। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বহাল। এখন ডলারের চাহিদা বাড়লে টাকার দাম আরও কমবে। তাই সোনা এবং জ্বালানির খরচে রাশ টেনে বিদেশি মুদ্রা বাঁচাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’’ বিশেষজ্ঞ কমল পারেখের অবশ্য দাবি, প্রধানমন্ত্রী অতিমারির মতো সংযম পালনের অনুরোধ করায় অর্থনীতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারই ছাপ বাজারে। হরমুজ় না খুললে চাহিদা, আর্থিক বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান— সব কিছুই ধাক্কা খেতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন