— প্রতীকী চিত্র।
ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের যুদ্ধের জের যে বাণিজ্যে পড়বে, তা জানাই ছিল। সেই আশঙ্কা মিলিয়ে মার্চে রফতানি কমল ৭.৪৪%। দাঁড়াল ৩৮৯২ কোটি ডলারে। পাশাপাশি, হরমুজ় প্রণালী বন্ধ থাকায় ধাক্কা খেয়েছে আমদানিও। তা ৬.৫১% কমে হয়েছে ৫৯৫৯ কোটি। যার হাত ধরে মাথা নামিয়েছে বাণিজ্য ঘাটতি (২০৬৭ কোটি)। ন’মাসে সবচেয়ে কম। শুধু পশ্চিম এশিয়াতেই গত মাসে রফতানি কমেছে ৫৭.৯৫%। আমদানি ৫৭.৯৫%।
যুদ্ধের কারণে ধাক্কা খেয়েছে হরমুজ় দিয়ে জাহাজ চলাচল। এই প্রণালী দিয়ে শুধু যে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পণ্য যায়, তা নয়। জাহাজ যায় ইউরোপ, আমেরিকাতেও। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই রফতানি কমেছে গত মাসে। আবার ইরান ও ওমানের মধ্যের এই সরু জলপথ দিয়ে ভারতের প্রায় ৪০% তেল-গ্যাস আসে। যুদ্ধে তা কমায় আমদানিও মাথা নামিয়েছে।
তার উপরে ভারতের পণ্যে চড়া শুল্কের কারণেও গত অর্থবর্ষে বাণিজ্য সে ভাবে বাড়েনি। তা সত্ত্বেও ২০২৫-২৬ সালে রফতানি ০.৯৩% বেড়েছে। নতুন নজির গড়ে পৌঁছেছে ৪৪,১৭৮ কোটি ডলারে। আমদানি ৭.৪৫% উঠে দাঁড়িয়েছে ৭৭,৫০০ কোটিতে। মূলত সোনা-রুপোর চড়া দামে বাণিজ্য ঘাটতিকে হয়েছে ৩৩,৩২০ কোটি।
বুধবার বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়ালের দাবি, ২০২৫-২৬ সালে পণ্য-পরিষেবা মিলিয়ে ভারতের রফতানি নতুন রেকর্ড গড়েছে। ৪.২২% বেড়ে হয়েছে ৮৬,০০৯ কোটি। যা প্রমাণ করে বিশ্ব অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও, ভারত বাণিজ্যে তুলনায় ভাল জায়গায় দাঁড়িয়ে। তবে এপ্রিল কঠিন সময় জানিয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘‘আশা করছি আজ যে চ্যালেঞ্জের মুখে দেশ পড়েছে, তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং কয়েক মাসে বাণিজ্য স্বাভাবিক হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে