Business News

দিদি ওয়েস্ট বেঙ্গলকে বেস্ট বেঙ্গল বানাচ্ছেন: অম্বানী

এ দিন বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুকেশ অম্বানী।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১৬
Share:

শুরু হল বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট।

Advertisement

মঙ্গলবার কলকাতায় সকাল সাড়ে ১১টায় রাজ্য সরকার আয়োজিত ওই শিল্প সম্মেলনের সূচনা হয়। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মী মিত্তল, মুকেশ অম্বানী, সজ্জন জিন্দলের মতো প্রথম সারির শিল্পপতিরা।

এ দিন বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুকেশ অম্বানী।

Advertisement

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়, প্রসূন মুখোপাধ্যায়দের পাশাপাশি সঞ্জীব গোয়েন্কা, হর্ষ নেওটিয়ার মতো শিল্পপতি-সহ বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঞ্চে উপস্থিত শিল্পপতিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন:

আদর্শ বিনিয়োগের জায়গা বাংলা।

আপনারা এখানে বিনিয়োগ করুন।

প্রশ্নকর্তার ভূমিকায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

আমরা সহিষ্ণু, শিল্পপতিরাও তাই চান।

কৃষি ও শিল্প দুই বোনের মতো।

ছ’বছরে ৮১ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে।

বাংলাকে শিল্পবান্ধব করে তোলা আমাদের চ্যালেঞ্জ।

দেশের মধ্যে জিডিপি এব‌ং ই-গর্ভন্যান্স-এ আমরা এগিয়ে।

শিল্পক্ষেত্রে আমরা এক নম্বরে।

বাংলা উত্তর-পূর্বের গেটওয়ে।

বাংলা আসিয়ান দেশের গেটওয়ে।

বাংলা মানেই বাণিজ্য।

রাজ্য লগ্নি টানতে এই বাণিজ্য সম্মেলন।

দু’দিন ব্যাপী সম্মেলনে ৩০টি দেশের প্রতিনিধি।

লক্ষ্মী মিত্তল বলেন:

কলকাতা আমার হৃদয়ে।

দিদির নেতৃত্বে বাংলায় বিনিয়োগ পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগের গুরুত্ব বোঝেন দিদি।

শিল্পে শান্তির পরিবেশ জরুরি।

সামাজিক পরিকাঠামো শিল্পের উন্নতির জন্য খুবই জরুরি।

রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা, শান্তি শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগে জন্য খুবই জরুরি।

মুখ্যমন্ত্রী প্রতিটি প্রয়োজনই খুব ভাল ভাবে বুঝেছেন।

সঞ্জীব গোয়েন্‌কা বলেন:

বাংলায় বিনিয়োগ করে আমি খুশি।

এখানে আরও বিনিয়োগ করতে চাই।

শিল্প সম্মেলনে মুকেশ অম্বানী বলেন:

আজকের কলকাতা একেবারে নতুন।

আজকের বাংলা একেবারে নতুন।

দিদির নেতৃত্বে ওয়েস্ট বেঙ্গল বেস্ট বেঙ্গল হয়ে উঠছে।

আজ বাংলা মানেই বাণিজ্য। এই কৃতিত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

বাংলার কন্যাশ্রী প্রকল্পকে অভিবাদন জানাই।

নতুন কলকাতাকে দেখলাম।

‘ধীরে চলো’কে বিদায় জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

শিল্পক্ষেত্রে শান্তি ফিরেছে।

পরিকাঠামোর দিক থেকে অতুলনীয়।

কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য বাংলাকে কুর্নিশ।

বাংলা শুধু নিজের জন্য নয়, দেশের উন্নয়নে কাজ করছে।

এখন এ রাজ্যে বাণিজ্য সামনের সারিতে চলে এসেছে।

নারীশক্তির বিকাশে রাজ্যের ভূমিকা অতুলনীয়।

বাংলার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডা. সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সম্মানে চেয়ার চালু করা হবে।

পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে জিও-র নেটওয়ার্ক পৌঁছে যাবে।

ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলার প্রতিটি ঘরে জিও-র কানেকশন।

রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি স্কুল, প্রতিটি কলেজে পৌঁছে দেওয়া হবে জিও।

গত দু’বছরে বাংলায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি।

জিও ছাড়াও আগামী কয়েক বছরে রিটেল, পেট্রো-রিটেল ক্ষেত্রে আরও ৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করবে রিলায়্যান্স।

জিও-র ফলে এ রাজ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে ১ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে।

ছবি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইটার অ্যাকাউন্টের সৌজন্যে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement