অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ফাইল চিত্র।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৫০% শুল্ক ঘাড়ে চাপার কারণেই বাজেটে কেন্দ্র আমদানি শুল্ক সংস্কারের পথে হেঁটেছে, দাবি ছিল সংশ্লিষ্ট মহলের। তবে সোমবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের বার্তা, শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কোনও প্রভাব নেই। সরকারি মহলেরও দাবি, ইতিপূর্বে আয়কর এবং জিএসটি কমিয়ে দেশে চাহিদা বাড়ানো হয়েছে। এ বার হল জোগান বৃদ্ধির পদক্ষেপ। যদিও এর পিছনে যে আন্তর্জাতিক অনিশ্চয়তা রয়েছে, তা মেনেছেন নির্মলা। বলেছেন, ধাক্কা খাওয়া সব ক্ষেত্রকে সুরাহা দেওয়া যায়নি। বাজেটে মূলত ছোট শিল্প এবং শ্রমনিবিড় ক্ষেত্র হিসেবে বস্ত্র সুবিধা পেয়েছে। তবে সরকার নজর রাখছে। শিল্পের ক্ষয়ক্ষতি অনুসারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একাংশের মতে, এর মানে সরকার আরও কিছু করবে। বাজেটে সব ঘোষণা শেষ হচ্ছে না।
তার উপর অচিরেই হিসাবের নতুন পদ্ধতিতে জিডিপি এবং মূল্যবৃদ্ধির হার বেরোবে। যেখানে ভিত্তিবর্ষ বদলাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বাজারদরে ১০% জিডিপি বৃদ্ধির আশা হোক বা আগামী অর্থবর্ষে জিডিপির ৪.৩% রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্য, সবটাই পুরনো পদ্ধতিতে হিসাব এবং সদ্য ঘোষিত বাজেটের ভিত। এই প্রেক্ষিতে নির্মলার বার্তা, তেমন পরিস্থিতিতে বাজেটের সংখ্যাগুলি ফের পর্যালোচনা করা হবে। এর পরেই দানা বেঁধেছে চর্চা, এত কিছু যখন বাকি রয়ে গেল। তা হলে আগামী দিনে আরও কিছু সুবিধা পেতে পারে দেশ।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে