বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। —ফাইল চিত্র।
রফতানি পণ্যের বিমার প্রিমিয়াম চড়ছে লাফিয়ে। জাহাজ সংস্থাগুলি পণ্য পরিবহণের খরচ অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে। ফলে ক্ষতির মুখে রফতানিকারীরা। মঙ্গলবার তাঁদের কিছুটা স্বস্তি দিয়ে এক দিকে বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল দাবি করলেন, রফতানিতে বিমার বিষয়ে কেন্দ্র সাহায্য করবে। আন্তঃমন্ত্রক গোষ্ঠী প্রতিদিন সমস্যায় নজর রাখছে। রফতানিকারীদের সঙ্গে কথাও বলছে। অন্য দিকে, জাহাজ পরিবহণ নিয়ন্ত্রক ডিরেক্টরেট জেনারেল অব শিপিং-এর নির্দেশ, দেশি-বিদেশি জাহাজ সংস্থাগুলি আমদানি রফতানিকারীদের থেকে ভাড়া-সহ কোনও খাতে ইচ্ছামতো আর্থিক বোঝা চাপাতে পারবে না। কোথায় কেন বাড়তি অর্থ চাওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট করে জানাতে হবে নিয়ন্ত্রককে।
সম্প্রতি বন্দরগুলিকে জাহাজ মন্ত্রক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আটকে পড়া জাহাজকে ১৫ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন খরচে ছাড় দেওয়ার কথা বলছিল। বলেছিল পচনশীল পণ্য বহনের ক্ষেত্রে রেফ্রিজারেটেড কন্টেনারে ফ্রিজ়ার চালিয়ে রাখার জন্য যে বাড়তি খরচ ধার্য, তাতে ছাড় দেওয়ার কথাও।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়েছে। ফলে জাহাজ যেতে পারছে না। অনেকে ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, সুয়েজ ক্যানাল দিয়ে যেতে বাধা পেয়ে উত্তমাশা অন্তরীপ দিয়ে অনেক ঘুরে যাচ্ছে বা আসছে। তাতে সময় ও খরচ বেশি লাগছে। বিভিন্ন বন্দরে জাহাজ আটকে থাকায় কন্টেনার পাওয়া কঠিন হচ্ছে। জাহাজ, নাবিক, পণ্যের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে। এতেই বাড়ছে বিমা ও জাহাজের খরচ। অনেকককে বোঝাই করা পণ্য নিয়ে দেশে ফিরেও আসতে হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে