ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
মানুষের চাহিদার শেষ নেই। জীবনের বিভিন্ন সময়ে আমাদের চাহিদাও হয় ভিন্ন ভিন্ন। ছাত্রজীবন শেষ করেই শুরু হয় মনোমতো চাকরি পাওয়ার চাহিদা। চাকরি পাওয়ার পরে আসে পদোন্নতির চাহিদা। পদোন্নতি বা বেতনবৃদ্ধি সাধারাণত নতুন অর্থবর্ষে হয়ে থাকে। সেই কারণে চাকরিজীবীরা বছরের এই সময়, অর্থাৎ নতুন অর্থবর্ষ শুরুর পূর্বে বেতনবৃদ্ধির আশায় থাকেন, আবার পদোন্নতিরও স্বপ্ন দেখেন। সংস্থার উঁচু মাথারা প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্থার দক্ষ কর্মীকে পদোন্নতির মধ্যে দিয়ে নতুন কাজের দায়িত্ব দেন। এই প্রক্রিয়া এপ্রিল মাস থেকে শুরু হলেও মার্চ মাসেই কর্মীদের কাছে শুভ খবর পৌঁছে যায়। এই হিসাবে মার্চ মাস যে কোনও কর্মীর কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি আপাতদৃষ্টিতে কর্মদক্ষতার উপর নির্ভরশীল মনে হলেও আদতে পদোন্নতি অনেক বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। অনেক বিষয়ের মধ্যে কপাল বা ভাগ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনও ব্যক্তির জন্মছক অনুযায়ী গ্রহের অবস্থানের উপর নির্ভর করে তিনি কেমন ফল পাবেন।
জ্যোতিষশাস্ত্র মতে শনিদেব কর্মের কারক। যে কোনও ব্যক্তির কর্ম সংক্রান্ত বিষয় জানতে জন্মছকে শনির অবস্থান বিশ্লেষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেবগুরু বৃহস্পতির দর্শন যে কোনও বিষয়ে পূর্ণতা দান করে। অর্থাৎ, শনির সঙ্গে বৃহস্পতি যখনই সম্পর্ক স্থাপন করে, তখনই কর্মের ক্ষেত্রে পূর্ণতা প্রাপ্তি হয়। কোনও না কোনও সফলতা প্রাপ্তি হয়। কখনও মনের মতো কাজের সুযোগ পাওয়া যায়, কখনও আবার পুরনো চাকরিতে পদোন্নতি হয়।
গ্রহের অবস্থান অনুযায়ী নতুন অর্থবর্ষে কারা নতুন চাকরির খোঁজ পাবেন এবং পদোন্নতি হতে পারে, দেখে নিন—
রাশি বা লগ্ন যা-ই হোক, মহাদশা, অন্তঃদশা যা-ই থাকুক নিজের জন্মছকে কেবলমাত্র শনি অথবা বৃহস্পতির অবস্থান উল্লিখিত রাশিতে হলেই নিশ্চিত থাকুন যে কর্মক্ষেত্রে কিছু না কিছু সুফল এবং সফলতা পাবেনই। তবে সেই দুই গ্রহ অন্য কোনও গ্রহের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করছে কি না তা দেখা প্রয়োজন। শত্রু গ্রহের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলে সফলতার পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে। তবে সুবিধা অবশ্যই প্রাপ্তি হবে। সে বিষয়ে নিশ্চিত থাকুন।