ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
তুলসী একটি অত্যন্ত পবিত্র গাছ। হিন্দু ধর্মে এই গাছের মাহাত্ম্য বিশেষ। কথিত আছে, যে বাড়িতে তুলসীগাছ থাকে, সেই বাড়িতে সর্বদা নারায়ণের কৃপা বজায় থাকে। তুলসীপাতা ছাড়া শ্রীবিষ্ণুর পুজো সম্পূর্ণ হয় না। তবে তুলসীগাছ বাড়িতে রাখা যেমন মঙ্গলের, তেমনই ভুল উপায়ে তুলসীগাছ রাখলে হয়ে যেতে পারে মারাত্মক ক্ষতি। তুলসীগাছ রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা আবশ্যিক। সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি ধরে রাখতে চাইলেও তুলসীগাছ রাখায় যেন কোনও অনিয়ম না হয় সেই বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে। তবে সকল নিয়ম মানার পরও গাছটি অনেক সময় শুকিয়ে যায়। শুকিয়ে যাওয়া তুলসীগাছ যে সর্বদা বাস্তুর অমঙ্গলের ইঙ্গিত দেয় তা নয়, অনেক সময় সেটি প্রকৃতির নিয়মেও হয়ে থাকে। শাস্ত্র জানাচ্ছে, শুকনো তুলসীগাছ যে কোনও ভাবে ফেলে দিলে চলবে না। সে ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। সেগুলি কী, জেনে নিন।
তুলসী বিসর্জনের সঠিক নিয়ম:
শুকিয়ে যাওয়া তুলসীগাছটিকে প্রথমে মাটি থেকে শিকড়সমেত তুলতে হবে। গাছটিকে তোলার সময় ‘ওম নমো বাসুদেবায় নমো’ মন্ত্রটি জপ করতে থাকুন। তার পর সেটি কোনও নদীতে ভাসিয়ে দিন। গাছটিকে অন্যান্য বর্জ্যের সঙ্গে ভুলেও ফেলবেন না। আশপাশে কোনও নদী না থাকলে গাছটিকে মাটি খুড়ে পুঁতে দেওয়া যেতে পারে। তুলসীগাছ যে মাটি থেকে তোলা হল, সেই মাটি ফেলে না দিয়ে তাতে পুনরায় একটি তুলসীগাছ পুঁততে পারেন।
তুলসীগাছ বিসর্জনের সঠিক দিন ও সময়:
যে কোনও সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার দিনটি শুকনো তুলসীগাছ তুলে ফেলার জন্য শুভ। সকালবেলা, অর্থাৎ সূর্যের আলো থাকতে থাকতে এই কাজ করতে হবে। সূর্যাস্তের পর এই কাজ করা যাবে না। রবিবার, একাদশী তিথি ও গ্রহণের দিন তুলসীগাছ স্পর্শ করা বা বিসর্জন দেওয়া যাবে না।